সেই প্যারাগুয়ের মুখোমুখি ব্রাজিল

আলোকিত সকাল ডেস্ক

পোর্তো আলেগ্রেতে কোপা আমেরিকার প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে কাল সকালে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক ব্রাজিল। ২০১৩’র কনফেডারেশন্স কাপের পর ব্রাজিল ফুটবল দলের হাতে গত ৬ বছরে বড় কোনো শিরোপা ওঠেনি। এবার যখন ঘরের মাঠে কোপা জিতে শিরোপা খরা ঘোচাতে চাইছে সেলেসাওরা, তখনই তাদের পথে বাধা প্যারাগুয়ে। ২০০১ সালের পর কোপায় প্যারাগুয়েকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল। এর মধ্যে ২০১১ ও ২০১৫’র আসরের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে তাদের বিদায় করে প্যারাগুয়ে।

এবার অবশ্য ফর্মে নেই প্যারাগুয়ে। ‘বি’ গ্রুপে ৩ ম্যাচে ২টিতে ড্র ও একটিতে হেরে তৃতীয় হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে কোপা আমেরিকার দু’বারের চ্যাম্পিয়নরা। আর ব্রাজিল ‘এ’ গ্রুপে ৩ ম্যাচের ২টিতে জিতেছে আর অপরটিতে করেছে ড্র।

শেষ ম্যাচে পেরুকে গোলবন্যায় (৫-০) ভাসায় তিতের শিষ্যরা। ওই ম্যাচে গোল করেন রবার্তো ফিরমিনো, উইলিয়ান, দানি আলভেজরা। এক গোলে সহায়তা করেন বার্সেলোনা তারকা ফিলিপ্পে কুটিনহো। ব্রাজিলের হয়ে প্রথম ম্যাচে জোড়া গোল করেছিলেন কুটিনহো। ইনজুরিআক্রান্ত নেইমারের অভাব বুঝতেই দিচ্ছেন না তারা। ফলে আজ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে অতীত পরিসংখ্যান পাল্টে দেয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ব্রাজিল। আর ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তাদের কোপা রেকর্ড বেশ ভালো। ঘরের মাঠে ১৯২২’র টুর্নামেন্টে দুই ম্যাচে একটিতে ড্র অপরটিতে জিতেছিল ব্রাজিল। এরপর ১৯৪৯ সালে প্রথম দেখায় ২-১ গোলে হেরে গেলেও দ্বিতীয়বার প্যারাগুয়েকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সেলেসাওরা। ১৯৮৯ সালে দুই সাক্ষাতেই প্যারাগুয়ে পরাজিত হয়।

আক্রমণাত্মক ব্রাজিলকে ঠেকাতে রক্ষণাত্মক কৌশলই বেছে নেবে প্যারাগুয়ে। এই কৌশলেই ২০১১ ও ২০১৫ কোপার কোয়ার্টার ফাইনালে সফল হয়েছিল দলটি। দুটি ম্যাচই অতিরিক্ত সময় শেষে টাইব্রেকারে গড়ায়। আর স্পটকিকে হেরে যায় ব্রাজিল। এবারের ম্যাচটাও টাইব্রেকার পর্যন্ত গড়াক, এমনটা নিশ্চয়ই মনে প্রাণে চাইবেন না সেলেসাও ভক্তরা।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box