সব আশ্বাসই ভেস্তে গেছে

আলোকিত সকাল ডেস্ক

স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। জীবিকার প্রয়োজনে ইট-পাথরের শহরে পড়ে থাকলেও পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে নাড়িরটানে বাড়ি ফেরা। ছবিটি গতকাল কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে তোলা -এম খোকন সিকদার
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় যেনো ঈদ যাত্রার সঙ্গি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রার প্রথম দিনেই এসে মোলাকাত করে সাধারণ মানুষের সাথে। তাদের দুঃখ লাঘব করতে দূত হিসেবে নেমে আসেন রেলমন্ত্রী। ঘোষণাও দেন কাল থেকে আর বিপর্যয় হবে না।

ঘোষণার যায়গায় ঘোষণা রেখে শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে গতকালও। সাড়ে ৩ ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’। গতকাল কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে এমন চিত্র চোখে পড়ে। শুধু নীলসাগর এক্সপ্রেসই নয় উত্তরাঞ্চলের প্রায় প্রতিটা ট্রেন শিডিউল বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। তবে স্বস্তিতে ঢাকা ছাড়ছেন চট্টগ্রাম, সিলেটসহ অন্য অঞ্চলের ট্রেনযাত্রীরা।

এদিকে, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দক্ষিণাঞ্চলগামী প্রতিটি লঞ্চই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয়। একটি লঞ্চ সাধারণত ১২০০-১৫০০ যাত্রী বহন করলেও ঈদ যাত্রায় সেগুলো ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার যাত্রী নিয়ে ছুটছে গন্তব্যের দিকে। এছাড়া ছোট লঞ্চগুলোও অতিরিক্তযাত্রী বহন করছে। এ বছর ওভার লোড হবে না ঘোষণা দিলেও ওভারলোডিং চলছে হামেশায়।

তার পরও কর্মরতরা বলছে ওভারলোডিং হচ্ছে না। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা। দীর্ঘ অপেক্ষা আর যাত্রার কষ্ট ম্লান প্রিয়জনের সান্নিধ্যের কাছে। তাই এত কষ্টের পরও গাড়ি বা লঞ্চ ছাড়ার পর যাত্রীদের চোখেমুখে খুশির ঝিলিক চোখে পড়েছে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হয়েছে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনযাত্রীরা। গতকাল সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উত্তরবঙ্গগামী প্রতিটি ট্রেনই ২ থেকে ৩ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে রংপুর এক্সপ্রেস। নীলসাগর এক্সপ্রেস নির্দিষ্ট সময়ের ৩ ঘণ্টা দেরিতে স্টেশন ছেড়ে যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্টেশন ম্যানেজারের দাবি, যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ থাকায় শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে।

রোববার থেকে আর ভোগান্তি থাকবে না। তবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও অন্যান্য অঞ্চলের যাত্রীরা বেশ স্বস্তিতেই ঢাকা ছাড়ছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাজার হাজার যাত্রী সকাল থেকেই ট্রেনটির জন্য অপেক্ষা করছেন। সকাল ৮টায় কমলাপুর থেকে নীলফামারীর চিলাহাটি যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি কমলাপুর পৌঁছে সকাল ১১টা ২ মিনিটে। এরপর ১১টা ৩২ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে যায়।

নীলসাগর এক্সপ্রেসের এক যাত্রী মালিহা আক্তার বলেন, সকাল ৮টায় ট্রেন, তাই সাড়ে ৭টা থেকে স্টেশনে এসে বসে আছি, দুই বাচ্চাকে নিয়ে। রেলের লোকদের কাছে জানতে গেলে খালি বলে, আসবে, আসবে। ডিসপ্লেতে দেখাচ্ছে, ১০টা ৫০ মিনিটে আসবে, আসলেই হয়। কমলাপুর স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক এ ব্যাপারে আরও বলেন, শনিবারের ৫২টা ট্রেনের মধ্যে চারটা ট্রেন দেরি হয়েছে।

এবার ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ে প্রথম যে দিনের আগাম টিকিট বিক্রি করেছিল, সেই ট্রেন ছাড়া শুরু হয়েছে শুক্রবার থেকে। ফলে কমলাপুর স্টেশনে ছিল ঘরমুখো মানুষের বাড়তি ভিড়। কিন্তু প্রথম দিনই বেশ কয়েকটি ট্রেন ছাড়তে দেরি হওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে গরমের মধ্যে যাত্রীদের পড়তে হয়েছে অপেক্ষার বিড়ম্বনায়।

ভোগান্তির জন্য যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে রেলমন্ত্রী বলেছিলেন, শনিবার থেকে আর কোনো ট্রেন বিলম্বে ছাড়বে না। যে কটি ট্রেন দেরি করে ছাড়তে হয়েছে, সেগুলোর দিকে আলাদা নজর দিয়ে নির্ধারিত সময়ে ছাড়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ১৯ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টা দেরি করে কমলাপুর থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যায় ৮টা ২০মিনিটে।

চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী এক্সপ্রেস ট্রেনটিও আধা ঘণ্টা দেরি করে কমলাপুর ছাড়ে। সকাল সোয়া ৭টার দিকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও আধা ঘণ্টা দেরি করে ট্রেনটি পৌনে ৮টায় ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। এর বাইরে দেশের অন্যান্য গন্তব্যের ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এদিকে শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশনে যাত্রীদের তেমন একটা বাড়তি চাপ দেখা যায়নি।

স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণ ছুটি বা সাপ্তাহিক ছুটিতে যে চাপ থাকে যাত্রীদের, তার চেয়ে যাত্রীচাপ একটু বেশি। আজ ও আগামীকাল এই চাপ আরেকটু বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে বাড়ি ফিরতে সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ভিড় জমান দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। নির্দিষ্ট সময়ে লঞ্চ না ছাড়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান অনেকে।

তবে অনেকের সাথে কথা বলে জানা গেছে অতিরিক্ত যাত্রীর আশায় লঞ্চের এ বিলম্ব ইচ্ছাকৃতভাবেই করে থাকেন লঞ্চ মালিকরা। লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে ২১৫টি লঞ্চ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে যাতায়াত করবে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে টার্মিনাল এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাত্রী পরিবহনের জন্য ২১৫টি লঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৫ বা ৬ জুন দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যাগ-বস্তাসহ পন্টুনে বসেছিলেন সিহাব উদ্দিন। তিনি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেন, তার বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জে। স্ত্রী ও দুই সন্তান গ্রামের বাড়ি থাকে। তিনি সকাল ৯টা থেকে সদরঘাটে এসে পন্টুনে বসে আছেন। কোনো লঞ্চ এখনো ঘাটে আসেনি।

টার্মিনালে ‘কোকো’ লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছিলেন শরিফ মিয়া। তিনি যাবেন বরিশালের হিজলা থাকার ধুলখোলা গ্রামে। করিম সরদার গ্রামেই থাকেন, ঢাকায় এসেছিলেন এক আত্মীয়ের কাছ থেকে পাওনা টাকা নিতে।

তিনি বলেন, ‘লঞ্চ সন্ধ্যা ৬টায় ছাড়বে। লঞ্চ ঘাটে আইলে বিশ্রাম কইরা নেব।’ দুপুরের দিকে ঘাটে থাকা ঢাকা-বরিশালগামী সুরভী-৮ লঞ্চে গিয়ে দেখা গেল, ডেক প্রায় যাত্রীতে ভরে গেছে। ঢাকার মাতুয়াইলে নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করেন মবিন।

তিনি বলেন, ‘জায়গা পাই কি না পাই এজন্য সকাল সকাল লঞ্চে চইল্যা আইছি। ঈদের সময় তো ভিড় অয়।’ ঘাটে থাকা ঢাকা-দেওয়ানবাড়ী-ঢাকা রুটে চলাচলকারী কর্ণফুলী-১ লঞ্চে গিয়ে দেখা গেছে লঞ্চ যাত্রীপূর্ণ। সদরঘাটের বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন টার্মিনালের ১, ২, ৩ ও ৪ নম্বর পন্টুন থেকে বরিশালের লঞ্চ ছেড়ে যাবে। ওয়াইজঘাটের টার্মিনাল থেকে পটুয়াখালী ও গলাচিপার লঞ্চ ছেড়ে যাবে।

সদরঘাট ঘুরে দেখা গেছে, টার্মিনাল ও পন্টুনে টহল দিচ্ছে র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের যন্ত্রপাতি নিয়ে প্রস্তুত থাকতে দেখা গেছে। মূল টার্মিনালের ভিআইপি গেটের ডান পাশে খোলা হয়েছে লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার। খোলা হয়েছে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম। পন্টুন কিংবা টার্মিনালে কোনো হকারকে বসতে দেয়া হয়নি।

ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম-পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, যাত্রী বেশি হলে আমরা আজকে দেড়শর বেশি লঞ্চ দিতে পারব। আমাদের সেই প্রস্তুতি রয়েছে। সামগ্রিক যে পরিস্থিতি তাতে মনে হচ্ছে না ঈদের যাত্রী আজ ওইভাবে নামবে। আমাদের মনে হয় ঈদ যাত্রীদের এবার পছন্দের তারিখ ৩ জুন। নদীপথের যাত্রীরা ঈদে বাড়ি যেতে প্রতি বছরই একটি তারিখ নির্দিষ্ট করে। মনে করছি, মূল ভিড়টা ওইদিনই হবে।

তিনি আরও বলেন, এখন যে যাত্রী যাচ্ছে তা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেশি। যুগ্ম পরিচালক আরও বলেন, সদরঘাটে প্রতিবন্ধীদের চলাচলের জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে এটা টেকসই করতে হবে। এবার আমরা অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখছি। কেউ অসুস্থ হলে যাতে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া যায়।

ঈদ সামনে রেখে রেল, সড়কপথের মতো নৌপথেও ঢাকা ছাড়ছে লোকজন। গতকাল সকাল থেকেই যাত্রীরা সদরঘাটে আসতে থাকেন। বেলা যত এগোচ্ছিল বাড়ছিল যাত্রীর চাপও। দুপুরের মধ্যে ঘাটে থাকা বেশিরভাগ লঞ্চ যাত্রীতে পূর্ণ হয়ে যায়। তবে সন্ধ্যার পর মূল চাপ দেখা যায় সদরঘাটের লঞ্চগুলোতে। অন্যদিকে নৌ পথের ন্যায় মহাসড়কেও রয়েছে ব্যাপক ভোগান্তি।

তবে গতকাল সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে গণপরিবহনের চাপ থাকলেও কোথাও কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি। এবারের ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে পাঁচটি সেক্টরে ভাগ হয়ে দায়িত্ব পালন করছে সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য।

জানা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গ ও বৃহত্তর ময়মনসিংহের ২৬টি জেলার অন্তত ৯০টি সড়কের যানবাহন চলাচল করে। এই মহাসড়ক দিয়ে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে ২০১৩ সালে দুই লেনের এই মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ২০১৬ সালে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

তবে দুটি সার্ভিস লেন, ২৯টি নতুন ব্রিজ, চারটি ফ্লাইওভার ও ১৪টি আন্ডারপাস সংযুক্ত হওয়ায় কাজটি এখনো চলমান রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে মানুষ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক হয়ে বাড়ি ফিরতে শুরু করায় যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এই মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ২৫ হাজার ১৮৬টি যানবাহন চলাচল করেছে।

এর মধ্যে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৪০ আর উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী যানবাহন সংখ্যা ১১ হাজার ৩৪৬টি। এ যান চলাচলে সেতুর টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৬ লাখ ১৬ হাজার ৮০০ টাকা।

তবে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এই মহাসড়ক দিয়ে সেতু হয়ে ১৯ হাজার ৭৮৭টি যানবাহন চলাচল করেছে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসে ১০ হাজার ২৫৪টি ও উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার দিকে যায় ৯ হাজার ৫৩৩টি যানবাহন।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিন শনিবার এ মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের চাপ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ফলে মহাসড়কে যানজট না থাকলেও কিছু কিছু স্থানে উন্নয়ন কাজ চলমান থাকায় ওই সকল স্থানে যানবাহন চলাচল করছে একটু ধীরগতিতে। এ সত্ত্বেও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে সায়দাবাদ ও মহাখালি বাসস্টেসনে এখনো যাত্রীদের তেমন চাপ পড়েনি। জানিয়েছেন বাস মালিকরা। তারা মনে করছেন আজ ও আগামীকাল বেশি চাপ পড়বে। তবে মিরপুর-৩ নাম্বার থেকে রাতে কিশোরগঞ্জের দিকে যাত্রা করা বাসগুলোতে রয়েছে প্রচণ্ড চাপ।

সেখানে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়েও যাত্রীদের সার্ভিস ভালো দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। তারা বলেন, সাধারণত কিশোরগঞ্জ ২৫০ টাকা ভাড়া নিয়ে থাকে কিন্তু এখন সাড়ে তিনশ টাকা নিচ্ছে, অথচ সিট দিচ্ছে না। সিটের পরিবর্তে মোড়ার মধ্যে বসিয়ে নিচ্ছেন। এমনি অভিযোগ করেন কিরণমালা এক্সপ্রেসের যাত্রী শরিফা খাতুন।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box