মাশরাফি চ্যালেঞ্জ নেবেন

আলোকিত সকাল ডেস্ক

‘নারে ভাই! আমি আসলে এত চাপে নেই’- বলেই হাসি! গতকাল বার্মিংহ্যামের বিলাসবহুল হোটেল হায়াত রিজেন্সির সামনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আড্ডার সময় এভাবেই সরল স্বীকারোক্তি বাংলাদেশ ক্যাপ্টেনের।

২ জুলাই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মহাশক্তিধর ভারত। মাশরাফিদের হাতে অনেক সময় রয়েছে। গতকাল মাশরাফি ও তার পরিবার বেড়াতে চলে যান ইংল্যান্ডের কোনো মনোরম পরিবেশের গ্রামে। মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজও কয়েক দিন হাত-পা টান করে ঘুরে এলেন।

মাশরাফি যাওয়ার আগে বলে গেলেন, ‘ভারত অনেক শক্তিশালী। আমরা সেটি দেশে থাকতেও যেমন জানতাম, এখানেও জানি। আমাদের চ্যালেঞ্জটা নিতে হবে।’ সাকিব এখন লন্ডনে রয়েছেন। এ ছাড়া মোস্তাফিজ ও রাহীও তাই। ৩০ জুন বাংলাদেশ বার্মিংহ্যামে অনুশীলনে নামবে। তার আগেই সবাই এক হবেন। সেমিফাইনালের আশা কঠিন। বিশ্বকাপে এটি এখন ধাঁধার নাম।

মাশরাফি কাল বলেছেন, ‘কোনো কিছু আমাদের হাতে নেই। এখন দেখা যাক কী হয়। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ এ মুহূর্তে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ইনজুরি আপডেট নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। তিনি ভারতের ম্যাচে খেলবেন কিনা সেটি নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন। আবার বাংলাদেশ থেকে কাউকে ব্যাকআপ হিসেবে নেওয়া হবে না। সে ক্ষেত্রে সাব্বির রহমানের কপাল খুলে যেতে পারে।

চোট জর্জরিত বাংলাদেশের বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইটা কঠিনতর হয়ে গেছে। ভারতের মতো স্কিলড দলের বিপক্ষে অর্ধেক ফিটনেসের বাংলাদেশের টিকে থাকার লড়াইটা মহাকাব্যিক হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যদি বার্মিংহ্যামে ম্যাচটি জিতে যায় তা হলে সেটি ‘এপিক’ হবে। বাংলাদেশের কাছে বার্মিংহ্যামের এজবাস্টন নতুন নয়। এর আগেও তারা এখানে তিনটি ম্যাচ খেলেছে।

প্রতিটিতে অবশ্য হেরেছে। সর্বশেষ এই বার্মিংহ্যামে ২০১৭ সালে ভারতের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছিলেন টাইগাররা। মাশরাফির নেতৃত্বেই ছিল দলটি। আর এই ম্যাচে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। আগের দুই প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড। সেই এজবাস্টনে আবার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের আগুনে ম্যাচ। বাংলাদেশ এখন বিশ্রামে। চাঙ্গা হয়েই ফিরে আসুক টাইগাররা।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box