চট্টগ্রামে মামলার দীর্ঘজট

আলোকিত সকাল ডেস্ক

ডিএনএ ও সাইবার টেস্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ আলামত পরীক্ষার জন্য এখনো ঢাকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি চট্টগ্রামকে।

এদিকে চট্টগ্রাম সিআইডি থেকে ঢাকায় পাঠানো ডিএনএ ও সাইবার পরীক্ষার রিপোর্ট আসতে দেরি হওয়ায় তদন্ত কাজ আটকে থাকে। এতে করে চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মামলার তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা বাড়ছে। তবে, ডিএনএ ও সাইবার পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে সময় লাগলেও এতে মামলার তদন্তে তেমন সমস্যা হয়না বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ প্রসঙ্গে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার সাবদার আলী বলেন, সিআইডির ১১টি ইউনিটের মধ্যে ৯টি ইউনিটের কার্যক্রম চট্টগ্রামে রয়েছে। কিন্তু ডিএনএ ও সাইবার টেস্ট ইউনিটের কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। তবে কিছু দিনের মধ্যে শুরু হবে। পাশাপাশি ওই দুটি ইউনিটের কার্যক্রম না থাকায় তদন্তে তেমন প্রভাব পড়ছে না বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঢাকায় রিপোর্ট করতে যে সময় লাগে একই সময় চট্টগ্রামেও লাগে। কিছুটা এদিক-সেদিক হয়। তাতে তেমন সমস্যা হয় না। তবে ওই দুটি ইউনিটের কার্যক্রম না থাকার পাশাপাশি জনবল সংকটের ফলে দায়িত্বরতদের অতিরিক্ত ডিউটি করতে হচ্ছে। বর্তমানে মঞ্জুরিকৃত যে জনবল রয়েছে, তা দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে শূন্যপদগুলো পূরণ করা জরুরি।

সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ সূত্র জানায়, ২০১১ সালে চট্টগ্রামে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ উদ্বোধনের পর কার্যালয়টিতে বছরে ২০/২৫ হাজার মামলার আলামত পরীক্ষার জন্য জমা পড়ে। বর্তমানে প্রতি মাসে অন্তত ১৫/১৬শ’ মামলার আলামত জমা পড়ছে।

গত বছর বাকলিয়া এলাকায় স্কুল ছাত্রী ইলহাম খুনের চাঞ্চল্যকর মামলাটি ডিএনএ টেস্ট রিপোর্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। চলতি বছর জানুয়ারিতে চান্দগাঁওয়ে ডা. আকাশ আত্মহননের মামলায় সংগৃহীত সাইবার আলামতও পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box