পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর ৩ আসনের “একে এম শাহজাহান কামাল” এম পি

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর ৩ আসনের “একে এম শাহজাহান কামাল” এম পি

বদরুল আলম, নিজস্ব প্রতিনিধি, ৭১ কন্ঠ ডটকমঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার (লক্ষ্মী-৩ আসনের এম পি) ও সাবেক বিমান ও পর্য্টন মন্ত্রী আলহাজ্ব “একে এম শাহজাহান কামাল” এম পি লক্ষ্মীপুর জেলাবাসী ও  আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের এবং দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আমি ,  লক্ষ্মীপুর জেলাবাসী ও আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের সহ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাই। “ঈদ মোবারক”। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে “একে এম শাহজাহান কামাল” এম পি বলেন, ‘ঈদ-উল-ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। করোনা মহামারীর কারনে এবারের ঈদ-উল ফিতর উদযাপিত হবে একেবারে ভিন্নভাবে। বিগত সময়ে এই ধরনের ঈদ আমাদের উদযাপিত করতে হয়নি। করোনা মহামারী রোধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কোথাও খোলা ময়দানে গনজামায়েত করা যাবেনা। স্ব্যাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পরে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য বলা হয়েছে। তাই আমি সকলকে অনুরোধ করব সবাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করার জন্য। করোনা মোকাবেলায় বিশেষ করে যুবলীগের নেতৃবৃন্দ সহ আওয়াম- লীগ ও দলের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নের্তৃবৃন্দগন দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা পোঁছে দিতে নিরঅলস চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। আমি তাদের সু-স্ব্যাস্থ্য কামনা করছি  এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ ও আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিন যেভাবে করোনা মোকাবেলায় পদক্ষেপ নিয়েছেন এভাবে আমরা হয়তো খুব শীগ্রই এই দুর্যোগ হতে দ্রুত নিস্তার পেতে পারি। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-স্বাস্থ্যও কামনা করেন।

তিনি আরও বলেন,মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের বারতা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। দিনটি বড়ই আনন্দের, খুশির।’ তিনি বলেন, ‘এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে, সারাবাংলায়, সারাবিশ্বে। শহরবাসী মানুষ শিকড়ের টানে ফিরে যান আপনজনের কাছে, মিলিত হয় আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। কিন্তু এবার হয়তো তার কিছুটা ব্যাতিক্রম হতে যাচ্ছে
। এ দিন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন। ঈদ-উল-ফিতরের শিক্ষা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ— এ প্রত্যাশা করি।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল থেকে এখানে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছে। এই সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য।’ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক পিংকু আরও বলেন, ‘ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির কোনও স্থান নেই। মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহাবস্থান, পরমতসহিষ্ণুতা ও সাম্যসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম ধারণ করে। ’তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। ইসলামের মর্মার্থ ও অন্তর্নিহিত তাৎপর্য মানবতার মুক্তির দিশারি হিসেবে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ুক, বিশ্ব ভরে উঠুক শান্তি আর সৌহার্দ্যে-পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে এ প্রত্যাশা করি।’ এই করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে দেশ বাসিকে হেফাজত করুন আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি।

Facebook Comments Box