হাটহাজারীতে আম, পেপে, কলা পাকানোর জন্য ripen-15 কেমিক্যাল ব্যবহার

হাটহাজারী থেকে মো.সুমন

হাটহাজারী পৌরসভা কবুতর হাট ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান।কবতুর হাট একটা দোকানে ripen-15 কেমিক্যাল মিশিয়ে পাকানো হচ্ছ কলা,পেপে আম,বিভিন্ন ফলে।

শনিবার(১৯মে)সন্ধায় দিকে এমন তথ্যের খবর পেয়ে হাটাহাজারী পৌরসভা কবুতর হাটে কলার আড়তে অভিযান চালায় হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমীন।এসময় ফল পাকাতে ও রঙ ব্যবহৃত বিষাক্ত কেমিক্যাল ripen-15 উদ্ধর করে উপজেলা অফিসার (এউএনও)মো.রুহুল আমীন।

শনিবার বাজার করতে আসা এক ক্রেতা অভিযোগ করে জানান( ইউএনও) কে কলার আড়তসহ বিভিন্ন ফলের দোকানে অনেক আসাধু ব্যবসায়ী এইসব কেমিক্যাল ব্যবহার করে চলছেন।এসব আড়তে দোকানে কোনো কোনো ব্যবসায়ী ফল পাকাতে আবার কেউ ফলে রঙ আনতে এ ধরনের বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করছে।এবং কাজটি নাকি এমন কৌশলে করা হয় যাতে ক্রেতারা বুঝতে না পারে।

ভ্রাম্যমান আদলতে আসার খবর জানেত পেরে কেমিক্যাল মেশানো প্রায় ২মন আম ও বেশ কিছু কলা ডাষ্টিবিনে ফেলে দেওয়া হয়,এবং কিছু ছাদে ও বাইরে ফেলে দেয় দোকানদার রা।ভ্রাম্যমান আদলতের নজর পরেছে এইসব ফলের দোকানে বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশানো প্রমান করা বেশ কঠিন হয়ে পড়লো।আম,কলা পেপে পাকানোর ripen-15 নামের বিষাক্ত কেমিক্যাল পুরা দোকান খুজেও পাওয়া যায় নি।

উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো.রুহুল আমীন দোকান থেকে বের হয়ে আসার সময় হটৎ তিনি চিন্তা করলেন
টিনশিটের দোকানে তো ফলস সিলিং তাকার কথা না।টিক তখনি আবার দোকানে ঢুকে কয়েকটি ফলস সিলিং সরাতেই টুপ করেই বোতল একটা পড়লো।যেটার গায়ে লেখা ছিল ফল পাকানোর জন্য ব্যবহারা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন তার বক্তব্যে বলেন ফলের দোকানদার ও জানে বিষ কোতায় লুকিয়ে রাকতে হয়।অফিসার রুহুল আমিন বলেন এইসব বিষ মেশানো ফল খেলে চিকিৎসা মতে শরীরের কিডনি ও লিভারসহ বিভিন্ন প্রকারের রোগ ব্যাদি ও শরীরের ক্ষতিসাধন করে।এইসব বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশানোর অভিযোগে অভিযান কলে সঙ্গে থাকা হাটহাজারী মডেল থানার পুলিশ দোকানের এক কর্মচারীকে আটক করে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments