হাজীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ নদী থেকে উদ্ধার

হাজীগঞ্জে বাড়ী বাড়ী গিয়ে এক কাচাঁমাল বিক্রেতার ভাসমান লাশ নদী থেকে উদ্ধা

জহিরুল ইসলাম জয় : হাজীগঞ্জে বাড়ী বাড়ী গিয়ে এক কাচাঁমাল বিক্রেতার ভাসমান লাশ নদী থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার দুপুরে হাজীগঞ্জ ডাকাতিয়া নদীতে এই সবজি বিক্রেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে তার গলায় বস্তায় ইট বেধে ডাকাতিয়া নদীতে লাশ ফেলে দেয় দূর্বৃত্তরা।  নিহত সেকান্দার বেপারী (৮০) হাজীগঞ্জ উপজেলার ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের কাঁঠালী দীঘিরপাড় গ্রামের বেপারী বাড়ীর মৃত সুজাত আলী বেপারীর ছেলে। তিনি গত বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

শনিবার দুপুরের দিকে ডাকাতিয়া নদীর ধেররা কোকাকলা ঘাটের পূর্ব পাশে মরদেহটি ভাসতে দেখে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ আবদুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে। মরদেহ উদ্ধার করার সময় মরদেহের গলায় ইট বা পাথর বোঝাই একটি ব্যাগ ঝুলানো ছিলো। ধারনা করা হচ্ছে, নিখোঁজের দিন অজ্ঞাত দূর্বত্তরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে গলায় বস্তা বেঁধে লাশ নদীতে ফেলে দেয়।

নিহতের ভাতিজা ইমান হোসেন বলেন, জেঠা (সেকান্দর বেপারী) গত বৃহস্পতিবার হাজীগঞ্জ বাজারের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। তিনি বাড়ী বাড়ী গিয়ে কাঁচামাল (শাক-সবজি) বিক্রি করতেন। জেঠার কোনো শত্রু নেই। এমনকি কারো সাথে ঝগড়া-বিবাদও নেই। তার এক মেয়ে, মেয়ের জামাইসহ নাতি-নাতনি রয়েছে। তিনি নিজ বাড়ীতে তাদের সাথেই বসবাস করেন।

হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন রনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশটি আনুমানিক দুই দিনের উপরে হবে বলে ধারনা করা যায়। নিহতের পরিবার  থেকে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebook Comments Box