হাওর উন্নয়নে আরও জোর দিতে হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

‌আলোকিত সকাল ডেস্ক

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমি হাওরের সন্তান। চোখ খুলেই হাওর দেখেছি। হাওর নিয়ে আরো গবেষণা হওয়া দরকার। হাওর উন্নয়নে আরো জোর দিতে হবে। আমার এক ভাই ও এক বোন কলেরায় মারা গেছে। এর মূল কারণ ছিল সুপেয় পানির অভাব।

রোববার (১৬ জুন) নগরীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ময়মনসিংহ) উপচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসানের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

এম এ মান্নান বলেন, হাওর এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য সরকার ৫শ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। আমরা বাড়ি বাড়ি টিউবওয়েল দেবো, ল্যাট্রিন দেবো। আরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হবে। যত পুল-কালভার্ট নির্মাণ বাকি রয়েছে, সব আমরা বানিয়ে দেবো।

বর্তমান সরকার হাওরবান্ধব সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাচ্চাদের স্কুলগুলো আরও সুন্দর করে করবো। হাওর এলাকার গরিব মানুষের জন্য আমরা আরও বেশি করে ঘর বানাবো। পানি ও ট্যানিটেশন সমস্যা দূর করবোই।

হাওর প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, হাওরের গ্রামে গ্রামে স্যানিটেশন অবস্থা দেখলে শরীর শির শির করে। স্যানিটেশন বর্জ্য হাওরের পানিতে পড়ছে। এই পানি খেয়ে কীভাবে বড় হলাম, অবাক লাগে। নিম্নমান, ভূমিহীন মানুষদের জন্য প্রকল্প হতে হবে। হাওর অঞ্চলে আরও উন্নয়ন করতে হবে।

হাওরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, হাওরের সঙ্গে সব সময় ছিলাম। চাকরিজীবনে কিশোরগঞ্জের ডিসি হিসেবে অনেক দিন ছিলাম। সেখানেও অনেক হাওর। আমার হাওরময় জীবন। হাওর নিয়ে ভাবনা বিশাল ব্যাপার। তবে ভাবনা রোমান্টিকও হতে পারে। তবে হাওর নিয়ে উন্নয়নের ভাবনা হতে হবে। হাওরের একজন মা সুন্দর কাঁথা সেলাই করবেন, আর আমরা ঢাকায় বসে ভোগ করবে। অন্যদিকে সেই মা আধপেটে খেয়ে ঘুমিয়ে থাকবে তা হবে না।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box