শাহ মোহছেন আউলিয়া (র) মাজার রমজান মাসব্যাপী চলছে ইফতার ও সেহরির আয়োজন

কোরবান আলী টিটু,আনোয়ারা প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার,তখন সন্ধ্যা ৬টা ছুঁই ছুঁই।ইফতারের সময় তখন কাছাকাছি।শাহ মোহছেন আউলিয়া (র) মাজারে ভক্তদের আনাগোনা।মাজার থেকে শুরু করে মসজিদ, এতিমখানাসহ মাজারের বাইরে আঙিনায় ত্রিপল বিছিয়ে চলছে ইফতারের আয়োজন।সপ্তাহের অন্যদিনের চেয়ে বৃহস্পতিবার ভক্তদের ভিড় থাকে বেশি।

মাজারের খাদেম পরিবারের সদস্যরা আলাদাভাবে রোজাদারদের ইফতার করান। রোজাদারদের জন্য থাকে সেহরির আয়োজনও।মাজারের মোতোয়াল্লীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন দুইশ থেকে তিনশ রোজাদারের জন্য ইফতারের আয়োজন হয়। ইফতারে ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ,জিলাপী, মুড়ি, খেজুর ছাড়াও থাকে শরবত।ইফতারের পাশাপাশি রোজাদারদের জন্য প্রতিদিন সেহরির আয়োজনও করা হয়।

শাহ মোহছেন আউলিয়া মাজারের ইফতার ও সেহরি আয়োজনে পুরুষের সাথে নারী ভক্তরাও শরীক হন।এতে অনুপ্রাণিত ভক্তদের মাঝে উচ্ছ্বাসের কমতি নেই।ষাটোর্ধ আব্দুর রহমান নিয়মিত শাহ মোহছেন আউলিয়া (র) মাজারে আসেন।ইফতার করেন মাজারেই।তিনি বলেন,আছরের নামাজের পর মাজারে চলে আসি।মাজার জিয়ারত করে এখানেই ইফতার করি। আমার মতো অসংখ্য ভক্ত আশেকান শরীক হন এ ইফতারে।

কথা হলে সৈয়দ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আনিস বলেন, ‘শাহ মোহছেন আউলিয়া (র) মাজারের উদ্যোগে আমরা প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুইশ রোজাদারদের জন্য ইফতারের আয়োজন করি। পাশাপাশি প্রায় দুই থেকে ৩ শতাধিক রোজাদারের জন্য সেহরি আয়োজন করা হয়।সারা রমজান মাসব্যাপী চলবে এ ইফতার ও সেহরির আয়োজন।খালেদা আকতার নামের এক ভক্ত এসেছেন শহর থেকে।তিনি বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার, তাই মানত রাখার জন্য শাহ মোহছেন আউলিয়া (র) মাজারে এসেছি। আগে কখনো এ ধরণের সেহরিতে শরীক হতে পারিনি। আজকে মাজারের সেহরিতে খুব ভাল লাগছে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments