লোকবল সংকটে ৬৮ স্টেশন বন্ধ!

আলোকিত সকাল ডেস্ক

রেলের পশ্চিম জোনে লোকবলের অভাবে ৬৮টি রেল স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরমধ্যে পুরোনো ও গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চলীয় রেলের এক ঊর্ধ্বতন সূত্রে জানা যায়, এ জোনে মোট স্টেশনের সংখ্যা ২৪৪টি। এর মধ্যে পাকশী ডিভিশনে আছে ১৬৪টি স্টেশন এবং লালমনিরহাট ডিভিশনে স্টেশন আছে ৮০টি।

পাকশী ডিভিশনের ট্রাফিক অফিসার (ডিটিও) মো. আব্দুল আল মানুন জানান, এ ডিভিশনে ৪৮টি স্টেশন লোকবলের অভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি জানান, স্টেশনগুলোর অপারেশন শাখা বন্ধ হলেও কমার্শিয়াল শাখা চালু আছে। এসব স্টেশনে ট্রেন থামে, যাত্রী ওঠানামা করে।

এ বিভাগে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার মতো পুরোনো স্টেশন। ১৮৮৩ সালে যখন শিয়ালদহ থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করা হয় তখন আলমডাঙ্গা স্টেশন নির্মিত হয়। এ বছরের গোড়ার দিকে এ স্টেশনটি বন্ধ করা হয়েছে। স্টেশনটি চালু রাখার দাবিতে স্থানীয় মানুষ আন্দোলন করে। তা ছাড়াও ঝিকরগাছা, নাভারন, যশোর ক্যান্টনমেন্ট ও মিরপুরের মতো স্টেশন বন্ধ করা হয়েছে।

লালমনিরহাট ডিভিশনের ট্রফিক অফিসার (ডিটিও) মো. শওকত জামিল মহসিন জানান, এ ডিভিশনে ২০টি স্টেশন বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে চৌধুরানী, নলডাঙ্গা, ভোমরাদহ ও খোলাহাটির মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রয়েছে। তিনি বলেন, বন্ধ স্টেশনগুলোতে গার্ড ও ড্রাইভারগণ স্বল্প সময়ের জন্য ট্রেন থামান। যাত্রী ওঠানামার পর ছেড়ে যায়। তিনি বলেন, লালমনিরহাট ডিভিশনে শতকরা ৫৫ ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য আছে। মূলত স্টেশন মাস্টারের অভাবে স্টশনগুলো বন্ধ আছে। রেলওয়ের চাকরি অত্যন্ত টেকনিক্যাল বলে তিনি উল্লেখ করেন। রেলে নিয়োগ পাওয়ার পর দুই বছর রেল পরিচালনা বিষয়ে প্রশিক্ষণের পর স্টেশন মাস্টার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ডিভিশনে অবসরে যাওয়ার পর ১৩ জন স্টেশন মাস্টারকে চুক্তিভিত্তিক নিযোগ দেওয়া হয়েছে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments