লালমনিরহাটে বন্যাদুর্গত এলাকায় পানি সম্পদ সচিব

সোহেল রানা

সপ্তাহব্যাপী বন্যায় লালমনিরহাটে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব কবীর বিন আনোয়ার। পাশাপাশি এলাকা গুলোতে বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও। সচিব ১৩ জুলাই বিকেলে তিস্তা ব্যারেজ এলাকা পরিদর্শন, পাউবো কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় পুর্বক সংঘটিত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় জানিয়ে পরামর্শ ও নিদের্শনা প্রদান করেছেন। একই সাথে তিনি ব্যারাজ এলাকার বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সামগ্রীও বিতরন করেন বলে আলোকিত সকালকে জানিয়েছেন, পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল ইসলাম।

এদিকে ১৪ জুলাই দুপুরে বন্যাকবলিত আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নেও ত্রাণ বিতরন করেন তিনি। এসময় পাউবো কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে ওই বন্যার পানিতে পাঠদান অনুপযোগী হওয়ায় প্রায় ৪০ টিরও অধিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধের খবরও এসেছে।

এদিকে ১৩ জুলাই রাত ৩টা হতে দেশের বৃহত্তম সেচপ্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর থেকে কমতে শুরু করেছে এবং ১৪ জুলাই বিকেল ৩টায় ওই পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ড পানি প্রবাহ রেকর্ড করেছে ১৩ সেন্টিমিটার।এর আগে ১২ জুলাই হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারীতে পানির তোড়ে একটি পাঁকা সড়ক ও একটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে যায়। ব্যারাজ এলাকায় অবস্থান নেন পাউবোর প্রকৌশলীরা সহ হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা। ওই দিন রাত সাড়ে ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ব্যারাজ এলাকায় সতর্কতা জারি করে করা হয় মাইকিংও। সরে যেতে বলা হয় সেখানকার ফ্লাড বাইপাস (ডাউন) এলাকায় বসবাসকারী প্রায় দু’শ থেকে আড়াইশ পরিবারকে।

বর্তমানে দুর্গত এলাকাগুলোতো ত্রাণ বিতরন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় সেগুলো অপ্রতুল হওয়ায় সরকারি বেসরকারি ত্রান সহায়তা বাড়ানোর দাবী ভুক্তভোগীদের।

আস/এসআইসু

Facebook Comments