লক্ষ্মীপুরে মাস্ক পরিধানে অভ্যেস করতে মাঠে নেমেছেন পুলিশ সুপার এইচ এম ড.কামরুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নো মাস্ক নো সেল” মাস্ক পরিধান ব্যতীত দোকানে প্রবেশ নিষেধ , নেতিবাচক নয়,পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হবে পুলিশ সুপার এইচ এম ড. কামরুজ্জামান পিপি এম বার। লক্ষ্মীপুরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা, ও জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে নানান উদ্যোগ হাতে নিয়েছে লক্ষীপুর জেলা পুলিশ প্রশাসন। ৪ এপ্রিল রবিবার বিকালে লক্ষ্মীপুর শহরের দক্ষিন তেমুহনী পথচারি ও সাধারন মানুষের মাঝে শতাধিক গাড়িতে “নো মাস্ক নো সেল” মাস্ক পরিধান ব্যতীত দোকানে প্রবেশ নিষেধ লেখা পেস্টুন বিতরন ও দৃশ্যমান স্থানে তা লাগিয়ে করোনাভাইরাস থেকে সাধারন জনগনকে সচেতন করার প্রয়াস চালানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রিয়াজুল কবির.গোয়িন্দার সংস্থার ইনচার্জ আজিুল হক মিয়া,লক্ষীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জসিম উদ্দিন ।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে এবার পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষের পাশে ছুটে গেলেন করোনাভাইরাস প্রতিরোধক বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে।এ-র আগে অতীতের ন্যায় সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় ঘুরে নিজ হাতে মাস্ক পরিধান, মাইকিং, লিফলেট, এবং কি জনসাধারণকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন করছেন, সবাইকে সরকারের আইন নিয়ম মেনে সচেতনতার পাশাপাশি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার সাথে চলার জন্য অনুরোধ করছেন পুলিশ সুপার এইচ এম ড. কামরুজ্জামান। বিগত কয়েকদিন থেকে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় লক্ষীপুর সদর মডেল থানার আওতাধীন বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় পুলিশকে এমন মানবিক দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। নো মাস্ক নো সেল” মাস্ক পরিধান ব্যতীত দোকানে প্রবেশ নিষেধ।এই স্লোগানকে ধারণ করে,
করোনাভাইরাসের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে এবং নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাইকে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে লক্ষীপুর পুলিশ সুপার এইচ এম ড: কামরুজ্জামান পিপি এম বার। লক্ষীপুর পুলিশ সুপার এইচ এম ড: কামরুজ্জামান বলেন, পুলিশ হবে জনতার, সেই মন্ত্র নিয়েই আমরা এই সময় আরো মানবিক হতে চেষ্টা করছি। তিনি আরও বলেন , নেতিবাচক নয়, পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হবে । জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা প্রতিরোধে করোনাভাইরাসের ১ম থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার বিষয়ে জানতে চাইলে, লক্ষীপুর পুলিশ সুপার এইচ এম ড: কামরুজ্জামান পিপি এম বার ৭১ কন্ঠকে বলেন। লক্ষীপুরসহ সারা বাংলাদেশের পুলিশ ডিপার্টমেন্টের গৌরব আমার অবিভাবক বাংলাদেশ পুলিশের আইজি, ২৪ ঘন্টা নিরলসভাবে জনসাধারণের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে কাজ করে যাচ্ছেন। মাননীয় আইজি মহোদয় স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

Facebook Comments Box