লক্ষ্মীপুরে জমি সক্রান্ত বিরোধ, প্রতিপক্ষের দফায় দফায় হামলায় আহত-২

 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের দফায় দফায় হামলায় নুর হোসাইন (৫১) ও মাকছুদুর রহমান (৩৩) নামক ২ জন আহত হয়েছে। শক্রবার বিকেলে ও রবিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লাহারকান্দি হাই স্কুলের সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদেরকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ্য করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে আহত মাকছুদুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আহতরা হলেন, লাহারকান্দি ইউনিয়নের আবিরনগর গ্রামের লুৎফুর রহমানের ছেলে এবং হামলার শিকার নুর হোসাইন নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আবিরনগর গ্রামের রুহুল আমিন গংদের সাথে তার বাবার কিছু জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত শক্রবার বিকেলে নুর হোসাইন তার বাবাকে নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় লাহারকান্দি হাই স্কুলের সামনে পৌছলে রুহুল আমিন তার লোকজন নিয়ে হামলা চালায়। এক পর্যায় তাকে হত্যার উদ্দ্যেশে তার গলা টিপে ধরে। এ সময় তার আত্যচিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে এলে রুহুল আমিন তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত নুর হোসাইন জানান, আমাকে মেরওে রুহুল আমিনের ক্ষেমÍ হয়নি। গতকাল রবিবার তার ভাই মাকসুছুর রহমানের উপর হামলা চালিয়ে এ্যলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারে এবং তার হাতে থাকা ধারালো অন্ত্র দিয়ে তাকে রক্তাত্ব জখম করে। এ সময় আশে-পাশের লোকজন দেখলে পুলিশ বলে চিৎকার করলে রুহুল আমিন পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশে লোহার গ্রীলের উপর পড়ে সে মাথায় জখম পায়। তিনি আরো জানান, এর আগে ২০১০সালে নুর হোসাইনের মা এবং চাচাকে মারধরের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর আদালতে জিআর ৫৪৪/১০ এবং ৫৩৪/১০ নাম্বারে পৃথক দু’টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় এবং বর্তমানে সেই দু’টি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। আদালতে মামলা চলা অবস্থায় সে জমি বিরোধের জের ধরে আমাদের মার-ধর করে। আমি ন্যায় বিচারের জন্য প্রশাসনসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ দিকে, এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রুহুল আমিনের বক্তব্যের জন্য বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Facebook Comments