রাংগুনিয়ার ধামাইরহাট ঈদ বাজার জম জমাট ক্রেতা‌দের উপ‌চে পড়া ভিড়

মাই‌কেল দাশ, রাংগুনিয়া প্রতিনিধি

রাংগুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী ধামাইরহাট বাজার সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কেনাকাটা। ক্রেতা‌দের উপচে পড়া প্রতিটি দোকানে ভিড়। ক্রেতাদের ভি‌ড়ে দম ফেলার সময় পাচ্ছে না বিক্রেতারা।মার্কেটগুলোতে দেশি পোশাকের পাশাপাশি ভারতীয় পোশাকের কেনাবেচাও চোখে পড়ার মতো। নিজের পছন্দসই কাপড় কেনার জন্য ছোট-বড় সবাই ভিড় জমাচ্ছেন।

রমজানের প্রথমের দি‌কে কেনাবেচা কম থাকলেও এখন অনেকটা বে‌ড়ে‌ছে ব‌লে জানান বি‌ক্রেতা। ক্রেতাদের ভিড় সামাল দিতে অনেক মার্কেটেই দোকানিদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এবারের ঈদ মার্কেটে ক্রেতাদের মধ্যে সিংহভাগই নারী। এদিকে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দোকানে দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে নানান ডিজাইনের লং কামিজ লেহেঙ্গা, ব্লক বুটিকের নানান ডিজাইনেরথ্রি-পিছসহ দেশি-বিদেশি রঙ-বেরঙের পোশাক। তবে এবার গরমে স্বস্তির জন্য বেশিরভাগ নারী ও তরুণীদের চোখ সুতি, টাঙ্গাইল শাড়ি, কটন, হাতের তৈরি ব্লকের নকশী করা কাপড়।তবে দামে সাশ্রয়ী ও গরমে স্বস্তি পেতে বেশিরভাগ ক্রেতারা ছুটছেন দেশীয় সুতি কাপড়ের দোকানে।এদিকে শুধু নারী ক্রেতাই নয় ছেলেরাও ভিড় করছেন বিভিন্ন দোকানে তাদের পছন্দের পোশাক কিনতে। বিভিন্ন দোকান ঘুরে জানা যায়, বেশিরভাগ ছেলেদের পছন্দ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাঞ্জাবি, ফরমাল শার্ট, শেরোয়ানি, টি-শার্ট, নিত্যনতুন ডিজাইনের জিন্স, গেবাডিন প্যান্ট, বেল্ট, জুতা ও বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির পারফিউম।

জমজমাট হয়ে উঠছে বাজারের লাইফ স্টাইল, ইয়েস টু, মাস্টার ফ্যাশন, ওমেন্স ওয়াল্ড,ফ্রেন্ডস্ সু,সিয়াম ফ্যাশন এন্ড কসমেটিকস,মনে রেখ ক্লথ স্টোর,এপ এম ফ্যাশন, রওশন ফ্যাশন সহ বিভিন্ন রকমারি কসমেটিকসের দোকানগুলো।

দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে আকর্ষনীয় ডিজাইনের গ্রামীণ ঐতিহ্যে অতি যত্নে তৈরি করা পাঞ্জাবী, ফতুয়া, শাড়ী, ত্রি-পিছ, বেড কভারও ছোট ছেলে-মেয়েদের নিত্য নতুন পোষাক । সরেজমিনে গি‌য়ে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানে দেশী-বিদেশী বাহারী কাপড় দিয়ে দোকান সাজিয়ে বসেছেন।দোকান গুলোতে দেশি পোশাকের পাশাপাশি ভারতীয় পোশাকের কেনাবেচাও চোখে পড়ার মতো। নিজের পছন্দসই কাপড় কেনার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট-বড় সবাই এই বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন।

ঈদের কেনাকাটা উপলক্ষে ধামাইরহাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ব‌লে জানান তারা।

আস/এসআইসু

Facebook Comments