ভোলায় বাসর রাতে স্কুল শিক্ষকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

ভোলা প্রতিনিধি॥ ভোলায় মো. মনির (২৬) নামে এক শিক্ষকের বাসর রাতে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । মঙ্গলবার(২০আগস্ট) সকালে পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মনির ভোলা সদর উপজেলায় পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের গুপ্ত মুন্সি গ্রামের আমিনুল মাস্টারের ছেলে এবং স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, গত শুক্রবার (১৬ আগস্ট) মনিরের সঙ্গে ভোলা পুলিশ লাইন এলাকার মাহে আলমের মেয়ে বিবি জয়নবের (২১) বিয়ে হয়। গতকাল সোমবার ধুমধাম করে মেয়েকে তার বাবার বাড়ি থেকে ছেলের বাড়ি আনা হয়। রাতে সব আয়োজন শেষে বর-কনেকে বাসর ঘরে পাঠানো হয়। পরে রাতে কোনো এক সময় বর মনির তার রুম থেকে বের হয়ে যায়।
মঙ্গলবার ভোরে ডেকোরেটরের লোকজন বাড়িতে আসলে ঘরের সামনের আড়ার সঙ্গে মনিরের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। পরিবারের লোকজন ধারনা করছেন মনির ত্মহত্যা করেছেন।তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন তা বলতে পারছেন না কেউ।
ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ছগির মিঞা বলেন, এটি কি হত্যা না আত্মহত্যা তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নিহত শিক্ষকের বাড়ি থেকে সকল আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি জিনিস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া, নিহত স্কুল শিক্ষকের নববধূকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান ওসিভোলায় বাসর রাতে স্কুল শিক্ষকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার
ভোলা প্রতিনিধি॥
ভোলায় মো. মনির (২৬) নামে এক শিক্ষকের বাসর রাতে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে । মঙ্গলবার(২০আগস্ট) সকালে পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মনির ভোলা সদর উপজেলায় পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের গুপ্ত মুন্সি গ্রামের আমিনুল মাস্টারের ছেলে এবং স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, গত শুক্রবার (১৬ আগস্ট) মনিরের সঙ্গে ভোলা পুলিশ লাইন এলাকার মাহে আলমের মেয়ে বিবি জয়নবের (২১) বিয়ে হয়। গতকাল সোমবার ধুমধাম করে মেয়েকে তার বাবার বাড়ি থেকে ছেলের বাড়ি আনা হয়। রাতে সব আয়োজন শেষে বর-কনেকে বাসর ঘরে পাঠানো হয়। পরে রাতে কোনো এক সময় বর মনির তার রুম থেকে বের হয়ে যায়।
মঙ্গলবার ভোরে ডেকোরেটরের লোকজন বাড়িতে আসলে ঘরের সামনের আড়ার সঙ্গে মনিরের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করে। পরিবারের লোকজন ধারনা করছেন মনির ত্মহত্যা করেছেন।তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন তা বলতে পারছেন না কেউ।
ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ছগির মিঞা বলেন, এটি কি হত্যা না আত্মহত্যা তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। নিহত শিক্ষকের বাড়ি থেকে সকল আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি জিনিস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া, নিহত স্কুল শিক্ষকের নববধূকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলেও জানান ওসি

Facebook Comments