বাঁশের সাঁকোই ভরসা

আলোকিত সকাল ডেস্ক

ফেনী সদর, দাগনভূঞা ও পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার মানুষের নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম, জেলার ছোট ফেনী নদীর ওপর নির্মিত প্রায় ৩০০ ফুট লম্বা নড়বড়ে এ বাঁশের সাঁকোটি। এর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

উত্তর সেকান্দরপুর গ্রামের হাসান বলেন, প্রতিবছর বর্ষার সময় পাহাড়ি ঢলের তোড়ে নড়বড়ে বাঁশের এ সাঁকোটি বন্যার বানে ভেসে যায়। বর্ষা শেষে আবার আশপাশের গ্রামগুলোর লোকজন নিজেদের মধ্যে নিজেরা চাঁদা তুলে করে সাঁকোটি নির্মাণে বাধ্য হন। এভাবেই চলছে যুগের পর যুগ।

সিন্দুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবী বলেন, ওই সাঁকোর জায়গায় সেতু নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর বহুবার আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তিনি আরও বলেন, গত বর্ষায় সাঁকো থেকে পড়ে সেকান্দরপুর ও উত্তর কৈখালী গ্রামের দুটি শিশু মারা গেছে।

দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল কবীর রতন বলেন, তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে শুনেছেন। দ্রুত এ বিষয় জেলা পরিষদ ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে স্থানটিতে সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করব।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরী বলেন, এত বড় সেতু নির্মাণের জন্য বাজেট জেলা পরিষদের থাকে না।

আস/এসআইসু

Facebook Comments