বাঁশখালীতে প্রকাশ্যে অস্ত্র মহড়ায় আধিপত্য বিস্তার দমনে শীগ্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে- ওসি রেজাউল

চট্টগ্রাম বাঁশখালী প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে দীর্ঘ দিনের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রপের মধ্যে গুলাগুলির ঘটনা নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় সময় অস্ত্রের প্রকাশ্যে মহড়া দেখা যাচ্ছে। কিছুদিন যেতে না যেতেই রক্তপাত, হতাহত ও নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। সরল ইউনিয়ন যেন এক আতংকের নাম। কিছু দিন আগেও মেম্বার জাফর আহমেদ গ্রুপ ও নুর মোহাম্মদ গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। সম্প্রতি ১৪ জুন ২০১৯ শুক্রবারে আবারও একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজন আহতও হয়েছে।

এভাবে প্রায় সময় দুই গ্রুপের রামদা,অস্ত্রের মহড়ায় থমথমে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। সম্প্রতিক প্রকাশ্যে অস্ত্র মহডার একটি স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজও সামাজিক গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

সাধারণ জনগণের প্রশ্ন এত অস্ত্রের উৎস কোথায়,মনে হয় যেন ওখানে অস্ত্রের কারখানা বা অস্ত্র তৈরি হয়। এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরগণের কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পরিলক্ষিত নয়। প্রশাসনের ভূমিকাও যেন রহস্যজনক।

এ বিষয়ে সরল ২নং ওয়ার্ড়ের ইউপি মেম্বার সেলিম এর কাছে জানতে চাইলে মুঠোফোনে তেমন কিছু বলতে চায়নি।স্থানীয় চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ চৌধুরীর এর কাছে জানতে চাইলে মুঠোফোনে বলেন, সরল ইউনিয়নের উপকুলীয় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এধরনের আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা খুব দুঃখজনক। এ বিষয়ে আমি প্রশাসন কে জোরালো ভাবে অবগত করেছি।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, আমি বাঁশখালীতে নব নিযুক্ত হয়ে দায়িত্বে আসছি।অনেককিছু অজানা থাকলেও দ্রুত আমি তথ্য নিচ্ছি। বাঁশখালীর কয়েকটি এলাকায় অপরাধীদের আধিপত্যে, অপকর্মের সংবাদ পাচ্ছি। সম্প্রতি ১৪ জুন শুক্রবার ২০১৯ সরল ইউনিয়নে এমন আধিপত্যে নিয়ে ভয়াবহ গুলাগুলির মাধ্যমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। সামাজিক গণমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ফুটেজসহ আরো ভয়াবহ সংবাদ পেয়েছি দ্রুত কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিবো।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box