বন্যায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমে গেছে উপস্থিতি

আলোকিত সকাল ডেস্ক

চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশে বন্যার কারণে ইতিমধ্যে ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ঐসব বিদ্যালয়ে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কমপক্ষে ৪ হাজারের মতো কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী।

এদিকে বন্যাকবলিত এলাকায় এখনো পর্যন্ত বিদ্যালয়গুলো খোলা থাকলেও দুর্ঘটনার ভয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কিছুটা কমে গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

সরেজমিনে দিঘুরিয়া-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা যায়, পাকা রাস্তা থেকে খানিকটা দূরে এ বিদ্যালয়টি। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তা। তারপরও থেমে নেই পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষকদের উদ্যোগে তৈরি একদমই সরু একটি বাঁশের সাঁকো পারাপার হয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল রোমান, ওমর ফারুক, রহমত আলী, খাদিজা খাতুন, মমতাজ পারভিন, উম্মে হাবিবা জানান, বিদ্যালয়ে না এলে তারা পড়ালেখায় পিছিয়ে পড়বেন। তাই কষ্ট করে হলেও নিয়মিত পাঠ গ্রহণ করছেন।

হামকুরিয়া পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সান্দুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেখ পাড়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বন্যাকবলিত অন্যান্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দিঘুরিয়া-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী জানান, পাঠদান বন্ধ থাকলে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। অতিরিক্ত ক্লাস নিয়েও শিক্ষার্থীদের সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া সম্ভব না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয়গুলোতে যাতায়াতের রাস্তা ও বিদ্যালয়ের মাঠ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী উপস্থিতি কিছুটা কমে গেছে। তারপরও নিয়মিত পাঠদান চলছে। নয়ত বকেয়া পড়ালেখা সম্পন্ন করতে শিশু শিক্ষার্থীদের বেশ কষ্ট হবে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments