পশুর হাটগুলোতে আসতে শুরু করেছে গরু-মহিষ

আলোকিত সকাল ডেস্ক

কোরবানির ঈদ দরজায় কড়া নাড়ছে। পশুর হাট-বাজারগুলোতে গরু-মহিষ আসতে শুরু করছে। এবার গরুর সাথে সাথে মহিষের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। প্রশাসনের নির্ধারিত হাটের বাইরে অতিরিক্ত পশু হাট বসতে দেখা যায়নি। ফলে উখিয়ায় গরুর বাজার, মরিচ্যা বাজার, রুমখাঁ বাজার এরইমধ্যে জমে উঠতে শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় খামারি ও গৃহস্থ যেসব গরু লালনপালন করেছেন তা হাটে উঠলে কোরবানির পশুর সংকটে পড়বে না।

স্থানীয়ভাবে পালিত গবাদিপশু উখিয়ার কোরবানির হাটে ক্রেতার চাহিদা পূরণ করে বিভিন্ন হাট-বাজারে চালান করতে পারবে বলে মনে করছেন পশু সম্পদ বিভাগ। উখিয়ায় প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠা ৩৪২টি খামারে ৫৬২০টি গবাদিপশু বাজারজাতকরণের জন্য মোটাতাজা করা হয়েছে। অবৈধ উপায়ে কোনো পশু এবার মোটাতাজা হয়নি বলে পশু সম্পদ কর্মকর্তারা জানান। তাছাড়া মৌসুমীভাবে গড়ে ওঠা ১৮০টি খামারে ৫৬৫২টি গরু লালনপালন করা হচ্ছে কোরবানির বাজারে বিক্রির জন্য।

উত্তর পুকুরিয়া গ্রামের খামারি ওমর ফারুক জানান, তার খামারে ৯টি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। তিনি বলেন, গো-খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ভার আনুপাতিক হারে বেশি পড়ার কারণে এবার মাঝারি সাইজের গরুর দাম একটু বেশি হতে পারে।

তিনি বলেন, যেভাবে ঘরে ঘরে গরু-মহিষ লালনপালন করা হচ্ছে তাতে মনেহয় বাজারে গরু বিক্রি করে তেমন লাভবান হওয়া যাবে না। সম্প্রতি উখিয়ার গরুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাঝারি সাইজের গরুর ক্রেতা বেশি। গরু ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া জানান, এককভাবে কোরবানির দাতার সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে মাঝারি সাইজের গরুর কদর বেড়েছে। আড়াই মণ ওজনের একটি মাঝারি সাইজের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে ৬০/৭০ হাজার টাকা। অথচ এ সাইজের গরু গত কোরবানির বাজারে বিক্রি হয়েছে ৪০/৪৫ হাজার টাকা দরে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সাহাবুদ্দিন জানান, উখিয়ায় কোরবানির পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ১২ হাজার। রোহিঙ্গাদের মধ্যেও যদি স্থানীয় গরু বিতরণ করা হয় তাহলেও পশু সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা নেই। কারণ এবার খামারি ছাড়াও অনেক গৃহস্থ পশু পালন করেছে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments