নৌকাডুবি ও যাত্রী ভাড়া! পাটগ্রামে বন্যায় ভাঙ্গা সেতুর সংযোগে সাঁকো দাবি

সোহেল রানা

চলতি বন্যায় লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে গিয়ে দুর্ভোগে পড়া মানুষগুলোর ভোগান্তিতে নতুন করে যোগ হয়েছে নৌকাডুবি ও অতিরিক্ত যাত্রীভাড়া। আছে ভয় ও জীবনের ঝুকি বলে দাবী করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরী করতে সংশ্লিস্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। প্রসঙ্গগত

রবিবার (১৪ জুুুুলাই) রাতে ধরলা নদীর বন্যার পানির চাপে উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের ধবলগুড়ী-সরকারেরহাট রাস্তার ন্যাবাদ্দীর বাড়ীর সংযোগ সড়ক সেতুর পুর্ব দিকে প্রায় ৩০-৩৫ হাত রাস্তা ভেঙ্গে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকাটির প্রায়২০ হাজার মানুষ।ফলে নৌকায় করে পারাপার হতে হচ্ছে স্কুল- কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী সহ রোগাক্রান্ত মানুষদের। কিন্তু তাতেও ঘটছে নানা বিড়ম্বনা যা সইতে না পেরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও কেউ কেউ দিয়েছেন দৃষ্টি আকর্ষন মূলক পোস্ট। বিপাকে পড়েছেন জনতার বাজারের ব্যবসায়ীরাও।

বন্ধ রয়েছে ভ্যান, অটোসহ বিভিন্ন গাড়ী চলাচলও।ফলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সংশ্লিস্টদের জীবিকা নিয়েও।১৮ জুলাই সকাল পৌনে ১০ টার দিকে ঘটে নৌকাডুবিও। এতে ৬ কলেজ ছাত্রী এবং ৪ জন মুরুব্বি সহ আরো ২ জন পানিতে ভিজে যায় সাথে নষ্ট হয় মোবাইল ফোনসহ সঙ্গে থাকা জিনিষ পত্রও। এদিকে যাওয়া আসা উভয় বারের পারাপারেই নেয়া হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত নৌকা ভাড়া বলে অভিযোগ যাত্রীসাধারনের।

ভাড়ার ক্ষেত্রে ছাড় পাচ্ছেনা শিক্ষার্থীরাও। অবশ্য জোংড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী জনসাধারণের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে খুব দ্রুতই ভেঙ্গে যাওয়া সেতুটির সংযোগ রাস্তাটি দিয়ে চলাচলের জন্য বাঁশের সাঁকো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিলেন বলে তথ্যও এসেছে গণমাধ্যমে আবার পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল করিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও সংশ্লিস্টগনের (ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা প্রকৌশলী) সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা গণমাধ্যমকে জানান। এমতাবস্থায় এলাকাবাসী তাদের সার্বিক ভোগান্তি নিরসনে আশুদৃষ্টি কামনা করেছেন সংশ্লিস্ট কর্তাব্যক্তিগনের।

আস/এসআইসু

Facebook Comments