নবীনগর মাদক ব্যবসায়ীর হাতে অটোরিকশা চালক আহত

আবু সুফী, স্টাফ রিপোর্টার

নবীনগর উপজেলার টিয়ারা গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী জেল থেকে জামিনে এসে একই গ্রামের অটোরিকশা চালক মোঃ রবিউল (৩০)কে রড ও লাঠি দিয়ে মারাত্মকভাবে আঘাত করে হাত পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রহিছ মিয়া (৩৫) জামিনে এসে তার দুইভাই মতিন মিয়া (৫৫), আবদুল আউয়াল ও অজ্ঞাতনাম ২/৩ জন মিলে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খোজ নিয়ে জানা যায়, অটোরিকশা চালক বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা পশ্চিম পাড়ার মোঃ রবিউল পিতা- মৃত আবদুল মালেকের ছেলে।

একই গ্রামের মরহুম মাহমুদ মিয়ার ছেলে রহিছ মিয়া, মতিন মিয়া ও আবদুল আউয়াল। রবিউল মিয়ার চাচা মোঃ আবু সাঈদ (পিতা – মৃত আবদুল গফুর) বাদী হয়ে নবীনগর থানার ইনচার্জ মহোদয়ের বরাবর বিষয়টি লিখিত অভিযোগ করেন। তারা হলেন মরহুম মাহমুদ মিয়ার ছেলে রহিছ মিয়া, মতিন মিয়া আবদুল আউয়াল ও অজ্ঞাতনাম সহ ২/৩ জনের বিরুদ্ধে। মোঃ আবু সাঈদের অভিযোগে উল্লেখিত যে, “রহিছ মিয়া একজন মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে এলাকায় পরিচিত এবং অন্যান্য বিবাদীরা আপন ভাই। রহিছ মিয়া গত তিনমাস পূর্বে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নবীনগর থানা পুলিশের নিকট আটক হয়।

১৮/৬/২০১৯ইং তারিখে জামিনে আসে। জামিনে আসার পর হইতে রবিউল তাহার আটকের পিছনে সহায়তা করিয়াছে মর্মে মিথ্যা সন্দেহ পোষন করিয়া তাহার বিভিন্নভাবে ক্ষতি সাধনের সুযোগ খোজে। এর ধারাবাহিকতায় ২০/৬/২০১৯ইং তারিখ সন্ধ্যায় অনুমান ৬:৩০মিনিটে টিয়ারা পশ্চিম পাড়া রহিছ মিয়ার বসত বাড়ির সামনে রাস্তা দিয়ে বিটঘর হইতে অটোরিকশাটি নিয়ে আমার ভাতিজা রবিউল আসার সময় উপরে উল্লেখিত বিবাদীরা ও অজ্ঞাতনাম সহ ২/৩ মিলে মারধর করে মারাত্মকভাবে আঘাত করে হাত- পায়ে। রবিউলের চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে তারা পালিয়ে যায়, স্হানীয়রা পরে হসপিটালে নিয়ে যায়”। রবিউলের স্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন – “আমার স্বামীকে অযথা মারধর করছে, আমি এর সঠিক বিচার চাই, বেশ কিছুদিন হসপিটালে চিকিৎসাধীনে ছিলেন, তবুও ভাল হচ্ছে না, চার সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম হচ্ছে এদিকে চিকিৎসা ঠিকমত করতে পারছি না”। বিষয়টি গ্রামের সমাজে বসে মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিদায় নবীনগর থানায় একটি অভিযোগ করেন বলেন সাংবাদিকদের জানান রবিউলের চাচা মোঃ আবু সাঈদ।

আস/এসআইসু

Facebook Comments