ধামরাইতে বংশি নদী হুমকির মুখে

মো: মনোয়ার হোসেন রুবেল (ধামরাই প্রতিনিধি): ধামরাই উপজেলার বংশী নদী হতে অবৈধ ভাবে চলছে বালু উত্তোলন এর ফলে চরম হ্নমকির মুখে পড়ছে ফসলি জমি ও নদী আশে পাশের এলাকার মানুষ। ধামরাইয়ের চৌহাটে বংশী নদীর হতে বালু উওোলনের ফলে ভাঙ্গনের মুখে পরেছে তীরবর্তী বসবাসকারী বাড়িঘড় ও একটি ব্রিজ আর এসব অবৈধ বালু ব্যবসার কারনে ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারনে নস্ট হচ্ছে সরকারি রাস্তা-ঘাট।

চৌহাট ইউনিয়নের চৌহাট বাজার ও পালবাড়ী ঘাটে চলছে এর কার্যৃক্রম আব্বাস. সুজন .পলাশ .সুলতান. আফাজ সিদ্দিক ত্ত বাবুর বিরুদ্ধে অবৈধ বালু ব্যবসা করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাসের পর মাস ধরে চলছে তাদের এ ব্যবসা।

আরালিয়া দিয়ে বয়ে যাত্তয়া বংশী নদী হতে এসব উত্তোলত চলছে।আর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বালু খেকোরা।রহস্য জনক কারণে প্রশাসন নিরব। লাল মিয়া ড্রেজার মেশিন বসিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে অবৈধভাবে দিনরাত বালু উত্তোলন করেছে নিজ নিজ এলাকার প্রভাবশালী চক্রের সহযোগিতায় । ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন নদী তীরবর্তী বাড়ীঘর,স্কুল মাদ্রাসা ও ফসলিজমি। এছাড়া বালু উত্তোলন করে ড্রামট্রাক দিয়ে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করার ফলে হুমকির মুখে পড়ছে রাস্তা-ঘাট । শুধু তাই নয় আসছে বর্ষা মৌসুমে ড্রেজারের কারনে ফসলী জমিসহ বাড়ীঘর পুণরায় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশস্কা করছে এলাকাবাসি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, ধামরাই উপজেলার আরালিয়ার সিতিপার্লি গ্রামের মোঃ লালমিয়া,ও আমিনুল, আড়ালিয়ায় স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে দিনরাত অবৈধভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে।

প্রতিদিন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে মজুদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের ভরাট করে বিক্রি করে আসছেন । স্থানীয় সচেতন মহল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি এবং মজুদের ঘটনায় তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কালাম আজাদ বলেন অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেয়া হবে না যদি এমনটা হয়ে থাকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেয়া হবে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments