ঠাঁই নেই হাসপাতালে

আলোকিত সকাল ডেস্ক

জ্বরে আক্রান্ত খালাতো ভাইকে ভর্তির জন্য গত মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেছেন সরকারি চাকরিজীবী শাখাওয়াত হোসেন। তিনি সমকালকে জানান, প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে সেখানে কোনো শয্যা ফাঁকা না থাকার কথা জানানো হয়। এরপর একে একে তিনি ধানমণ্ডির ইবনে সিনা, স্কয়ার, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তির জন্য নিয়ে গেলেও সেখানে শয্যা ফাঁকা পাওয়া যায়নি। তারপর খালাতো ভাইকে নিয়ে বাসায় চলে যান তিনি। পরদিন বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে সক্ষম হন।

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার বাসিন্দা কেফায়েত উল্লাহর ছেলে আনোয়ারুল আজিম এবং মেয়ে নোভা দু’জনেই জ্বরে আক্রান্ত। গতকাল বুধবার আদ্‌-দ্বীন, সেন্ট্রাল হাসপাতাল, গ্রিন লাইফে ঘোরাঘুরি করেও ভর্তি করাতে পারেননি। কর্তৃপক্ষ বলছে সিট ফাঁকা নেই। পরে রাজধানীর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে দুই ছেলেমেয়েকে ভর্তি করান। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন।

মগবাজার এলাকার প্রাইভেটকার চালক আলমগীর হোসেনের দুই ছেলে নাহিদ ও নাফিজ জ্বরে আক্রান্ত। গত মঙ্গলবার তাদের ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। কিন্তু হাসপাতালে কোনো শয্যাই ফাঁকা ছিল না। অনেক তদবির করে অন্য ওয়ার্ডে নাহিদের ভর্তির ব্যবস্থা করেন। কিন্তু নাফিজকে ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। আলমগীর ও তার স্ত্রী নাহিদের শয্যার পাশেই নাফিজকে কোলে নিয়ে বসে থাকেন। হাসপাতালে কোনো শয্যা ফাঁকা না থাকায় তাকে ভর্তি করা সম্ভব হয়নি।

সেন্ট্রাল হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. এ কে এম মোজাহার হোসেন সমকালকে জানান, হাসপাতালে শয্যার তুলনায় রোগীর ভিড় অনেক বেশি। সবাইকে ভর্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। নির্ধারিত শয্যার বাইরেও ডেঙ্গু আক্রান্তদের ভর্তি করে চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ জন্য অনেক রোগী ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন সমকালকে বলেন, তার হাসপাতালে এ পর্যন্ত এক হাজার দুইশ’র বেশি রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৪০৬ জন এখনও ভর্তি আছেন। অন্যরা চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। ডেঙ্গু রোগীর চাপ কয়েকদিন ধরে বেড়েছে। মেডিসিন ওয়ার্ডের পাশাপাশি অন্য ওয়ার্ডে রোগীকে ভর্তি করা হচ্ছে। কারণ ঢাকা মেডিকেল কোনো রোগীকে ফেরত পাঠায় না। ফ্লোরে রেখে হলেও চিকিৎসা দেওয়া হয়। আমরা সেই চেষ্টাই করছি। কিন্তু অন্যান্য রোগীর ভিড়ও আছে। এ কারণে পরিস্থিতি সামলানো একটু কঠিন হয়ে পড়ছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়ূয়া সমকালকে বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এ কারণে নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের বাইরে ফ্লোরে শয্যা পেতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে কখনও এত রোগীর চাপ আসেনি।

ঢাকা শিশু হাসপাতালের এপিডেমিওলজিস্ট কিংকর ঘোষ জানান, হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ডেঙ্গু রোগী ব্যবস্থাপনার জন্য যে পরিমাণ শয্যা আছে, তার তুলনায় রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি। এ কারণে আক্রান্ত অনেককে ভর্তি করাও সম্ভব হচ্ছে না।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্য প্রমাণ করে ডেঙ্গু কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারি-বেসরকারি সব হাসপাতাল রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য পর্যালোচনা করে এ বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। চলতি বছরের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আগে সংখ্যায় হ্রাস-বৃদ্ধি হলেও গত ১৯ জুলাই থেকে গতকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়েছে। ১৯ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে ২৬৯, ৩০৮, ৩১৯, ৪০৩, ৪৭৩ ও ৫৬০ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ হিসাবে প্রতি ঘণ্টায় ১৭ জন আক্রান্ত হচ্ছে।

ঢাকার বাইরেও রোগী বেড়েছে। গত মঙ্গলবার ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৭ জন। গতকাল তা বেড়ে ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রামে ছিল আটজন। তা বেড়ে ৭১ জনে দাঁড়িয়েছে। খুলনায় ৪১ থেকে বেড়ে ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

সারাদেশে এ পর্যন্ত আট হাজার ৫৬৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকায় আট হাজার ৩৮৬ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৭৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে দুই হাজার ১৪ জন রোগী ভর্তি আছেন। ঢাকার বাইরে আছেন ৪৪ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ছয় হাজার ৪৯৯ জন।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সেতুমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে ঢাকার দুই মেয়রের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, সচেতনতামূলক কাজ করছেন। দক্ষিণের মেয়র বলেছেন, ডেঙ্গুর ওষুধ কার্যকর নয়। কার্যকর ওষুধ আনার চেষ্টা করছি। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। উনি বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ওষুধ দেবেন। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ওষুধ আনতে বলা হয়েছে। প্রতিবেশী দেশেও ওষুধ আছে। পরামর্শ দিয়েছি যত দ্রুত আনা যায়। কারণ, ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে, প্রাণহানি ঘটছে। হাসপাতালে নতুন রোগী মানেই হচ্ছে ডেঙ্গু।

২৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা :নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা ও প্রজননস্থল থাকার দায়ে ২৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে গতকাল বুধবার ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পৃথক অভিযান চালিয়ে চার লাখ ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) জানায়, বুধবার অভিযানকালে ৮৬টি নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ১২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ ছাড়া আরও ১০টি ভবনে এডিস মশার বংশবিস্তারের মতো জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। ওই সব ভবন মালিকের কাছ থেকে দুই লাখ ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানায়, ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ারের নেতৃত্বে গতকাল রাজধানীর গুলশান এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলে। এ সময় গুলশান-২-এর ৫০ ও ৫১ নম্বর সড়কের তিনটি ভবন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন স্থান স্যাঁতসেঁতে ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। তা ছাড়া ওই সব স্থানে একনাগাড়ে তিন দিনের বেশি জমে থাকা পানিও পাওয়া যায়, যা এডিস মশার উর্বর প্রজননক্ষেত্র। এ কারণে ইনস্টার ডেভেলপারকে এক লাখ এবং ডেকো গ্রুপ ও শান্তা হোল্ডিংকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে নির্মাণাধীন ভবনগুলো পরিস্কার করে ছবিসহ ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বরিশাল ব্যুরো থেকে সুমন চৌধুরী জানান, ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৯ জন বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে, তবে পরিস্থিতি জটিল নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মশকনিধন ও সপ্তাহব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ঘোষণা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে একযোগে এ কর্মসূচি শুরু হবে।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. এস এম বাকির হোসেন বলেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বর্তমানে বেড়েছে। তবে বরিশালে ডেঙ্গু জটিল আকার ধারণ করেনি। আতঙ্কিত হওয়ার মতোও কিছু নেই।

সিলেট ব্যুরো থেকে ফয়সল আহমেদ বাবলু জানান, সিলেটে ছয়জন ডেঙ্গু রোগী ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর বাইরে অনেকেই বাসাবাড়িতে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন সিলেটের সিভিল সার্জন হিমাংশু লাল বিশ্বাস।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত দুই মাসে সিলেটের ছয়জন রোগী ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগী আছেন।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইউনুসুর রহমান সমকালকে বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে একজন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাকে সুষ্ঠুভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সভা :গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বেসরকারি ৭০ হাসপাতালের মালিক ও প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ। এ সময় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এবং তা উত্তরণে করণীয় বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ঢাকার বাইরে বিভাগীয় শহরগুলোতেও ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সব বিভাগীয় পরিচালকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক হয়। সভায় ডেঙ্গু নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি হাসপাতালে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী একটি সূত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ডা. শহীদ মিলন অডিটরিয়ামে সোসাইটি অব মেডিসিনের চিকিৎসকদের উদ্যোগে সম্প্রতি ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ও চিকিৎসা বিষয়ে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদ সম্মেলনে ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতি ও চিকিৎসা ব্যবস্থা বিষয়ে তুলে ধরবেন।

বিএমএর সচেতনতামূলক কার্যক্রম : চিকিৎসকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে গতকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ‘ডেঙ্গুজ্বরের যথোপযুক্ত চিকিৎসা, নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। পরে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। মূূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

আস/এসআইসু

Facebook Comments