জান্তাবিরোধী ধর্মঘটে অচল মিয়ানমার

৭১কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হুমকির পরও দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। দিন যত যাচ্ছে, বিক্ষোভ আরও জোরালো হচ্ছে। এরইমধ্যে সোমবার দেশটিতে সাধারণ ধর্মঘটে ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ হয়ে গেছে। এ থেকে যেকোনো সময় আরও প্রাণহানি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিক্ষোভ ঠেকাতে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীও কম ধ্বংসাত্মক হয়নি। শনিবার গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে বিক্ষোভে তিনজন নিহত হলেন। তবে একজন পুলিশ সদস্যও বিক্ষোভে আহত হয়ে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। তবে গত শনিবার দুইজনের মৃত্যুও বিক্ষোভকারীদের পেছনে ফেরাতে পারেনি। এদিন ইয়াঙ্গুনে যেমন তারা জড়ো হয়েছিলেন, তার চেয়ে আরও বেশি জড়ো হয়েছেন রোববার। সোমবার এরচেয়েও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন ওই বিক্ষোভে।
বিক্ষোভের মুখে বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, স্থানীয় দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চেইনগুলোও আজ সোমবার ঘোষণা দিয়েছে, নিজেদের ব্যবসা বন্ধ রাখবে। এরমধ্যে রয়েছে ইউম ব্র্যান্ড ইনকের কেএফসি ও ডেলিভারি হিরোর মালিকানাধীন ডেলিভারি সার্ভিস ফুডপান্ডা। এর আগে ১৯৮৮ এবং ২০০৭ সালে দেশটির কয়েক দশকব্যাপী সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। ১৯৮৮ সালের বিক্ষোভে কমপক্ষে ৩ হাজার বিক্ষোভকারী মারা যান আর ২০০৭ সালে নিহত হন ৩০ জন। সে সময় হাজার হাজার মানুষকে কারাবন্দী রাখা হয়।

Facebook Comments