ছাত্রলীগে প্লাস-মাইনাস আতঙ্ক!

আলোকিত সকাল ডেস্ক

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিতর্কিত নেতাদের চিহ্নিত করে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। তবে এখনো শূন্য পদের নামের তালিকা প্রকাশ করেনি তারা। যদিও এর আগে সংগঠনের পক্ষে থেকে ১৬ জন বিতর্কিত নেতার নাম প্রকাশ হয়েছিলো।

ধারণা করা হচ্ছে— ঐ তালিকায় থাকাদেরই পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শূন্য ঘোষণা ১৯টি পদের নাম ঘোষণা না করায় কেন্দ্রীয় কমিটিজুড়ে প্লাস-মাইনাস আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক তাদের ক্ষমতা জাহির করতে কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শীর্ষ দুই নেতা বলছেন- চিঠি দিয়ে পদশূন্য নেতাদের নিশ্চিত করা হবে। যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে ধুম্রজাল তৈরি হয়েছে। আবার অনেক নেতা-সব বাদ রেখে এখন নিজের পদ ধরে রাখতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের তোষামোদিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

সূত্রে মতে, দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণার দীর্ঘ এক বছরের মাথায় চলতি মাসের ১৩ তারিখে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

নবঘোষিত কমিটির তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই উত্তাল হয় ছাত্রলীগের রাজনীতি। বিশেষ করে ঘোষিত কমিটিতে বিতর্কিতদের স্থান দিয়ে ত্যাগী ও পরিশ্রমী মেধাবি ছাত্রনেতা বাদ দেওয়ার অভিযোগ করে পদবঞ্চিতরা।

নবঘোষিত ওই কমিটিতে অছাত্র, ছাত্রদলের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিতর্কিত নেতাদের চিহ্নিত করে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। তবে এখনো শূন্য পদের নামের তালিকা প্রকাশ করেনি তারা। যদিও এর আগে সংগঠনের পক্ষে থেকে ১৬ জন বিতর্কিত নেতার নাম প্রকাশ হয়েছিলো।

ধারণা করা হচ্ছে— ঐ তালিকায় থাকাদেরই পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। তবে শূন্য ঘোষণা ১৯টি পদের নাম ঘোষণা না করায় কেন্দ্রীয় কমিটিজুড়ে প্লাস-মাইনাস আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক তাদের ক্ষমতা জাহির করতে কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শীর্ষ দুই নেতা বলছেন- চিঠি দিয়ে পদশূন্য নেতাদের নিশ্চিত করা হবে। যা নিয়ে ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে ধুম্রজাল তৈরি হয়েছে। আবার অনেক নেতা-সব বাদ রেখে এখন নিজের পদ ধরে রাখতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের তোষামোদিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

সূত্রে মতে, দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণার দীর্ঘ এক বছরের মাথায় চলতি মাসের ১৩ তারিখে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

নবঘোষিত কমিটির তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই উত্তাল হয় ছাত্রলীগের রাজনীতি। বিশেষ করে ঘোষিত কমিটিতে বিতর্কিতদের স্থান দিয়ে ত্যাগী ও পরিশ্রমী মেধাবি ছাত্রনেতা বাদ দেওয়ার অভিযোগ করে পদবঞ্চিতরা। নবঘোষিত ওই কমিটিতে অছাত্র, ছাত্রদলের কর্মী, বিবাহিত, মাদক ব্যবসায়ী, হত্যাচেষ্টা মামলার আসামিসহ বিতর্কিতদের স্থান দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পদকাঙ্ক্ষিত ও পদবঞ্চিত নেতারা।

ওইসব বিতর্কিত বহিষ্কারের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কমিটির জের ধরে পদবঞ্চিত ও নবগঠিত নেতাদের মাঝে সংর্ঘের ঘটনাও ঘটে। এতে ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী আহত হন। ছাত্রলীগের এমন কর্মকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সংগঠনের দুই শীর্ষ নেতাকে চলমান সমস্যা সমাধান করার মির্দেশ প্রদান করেন।

নেত্রীর নিদের্শনা এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকনির্দেশনায় পাওয়ার পর কমিটিতে স্থান পাওয়া নেতাদের নতুনভাবে বিচার বিশ্লেষণ শুরু করেন। এরপর নাম প্রকাশ ছাড়াই নবগঠিত ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে ১৯ জন বিতর্কিত নেতাকে বাদ দেন ছাত্রলীগ।

ওই ১৯ জনের পদ শূন্য ঘোষণা করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ। তবে বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি থেকে বাদ পড়া ১৯ জনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী স্বাক্ষরিত ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করা হলো। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাইপূর্বক পদগুলো পূরণ করা হবে।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার বিষয়টিকে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া অংশ প্রহসন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তারা বলছে ছাত্রলীগে নবঘোষিত কমিটির সকল নেতাকর্মীদের চাপে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের কমিটিতে বিতর্ক মুক্ত রাখতে ইতোমধ্যে বিতর্কিত ১৯ জনের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

কোন কোন পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। ওই ১৯ জনের মধ্যে বিতর্কিত ১৫ সদস্যের তালিকা প্রকাশ করেছিলো ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী করা হলে তাদের কপাল পুড়তে পারে।

তারা হলেন— সহসভাপতি তানজিল ভূঁইয়া তান?ভীর, সুরঞ্জন ঘোষ, আরেফিন সি?দ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান, বরকত হাওলাদার, শাহ?রিয়ার বিদ্যুৎ, মাহমুদুল হাসান তুষার, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, তৌ?ফিকুল হাসান সাগর, সা?দিক খান, সোহানী হাসান তি?থি, মুনমুন নাহার বৈশাখী, দপ্তর সম্পাদক আহসান হাবীব, উপসম্পাদক রুশি চৌধুরী ও আফরিন লাবণী।

তবে এই তালিকার পাশাপাশি ৯৯ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করেছিলো পদবঞ্চিতরা । সেই তালিকায় থাকা নেতাদের অনেকের কপার পুড়তে পারে বলে ছাত্রলীগের একটি অংশ দাবি করছে। আবার কয়েকজন ধরে রাখতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও গুঞ্জন উঠেছে।

ছাত্রলীগের সূত্রে মতে, প্রায় দীর্ঘ ১ বছর অপেক্ষা শেষে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত ওই কমিটিতে স্থান পান ৩০১ জন নেতাকর্মী। স্থান পাওয়া ওইসব নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভ কামনা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিলো তাদের অনুসারীরা। কেউ কেউ মিষ্টি বিতরণ করেছিলো নিজ নিজ এলাকায়।

তবে এবার ঠিক ভিন্ন চিত্র দেখা দিয়েছে পদপ্রাপ্ত ওইসব নেতাকর্মীদের মধ্যে। পদ পেয়েও পদ ঠেকাতে ফের আওয়ামীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের কাছে দৌড়ঝাঁপ শুরু করছেন। বিশেষ করে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে যে অব্যাহতি চিঠি ঠেকাতে ব্যস্ত তারা। ঈদের বাকি মাত্র কদিন। অথচ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নবঘোষিত কমিটি নিয়ে তারা ঈদে বাড়ি যাওয়ার অনিশ্চতায় ভুগছে।

নাম প্রকাশ না শর্তে নবঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আমার সংবাদকে বলেন, পদ পেয়েও খুব দুশ্চিন্তায় আছি। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সন্তুষ্ট না থাকলে কখন কী হয়ে যায় বুঝতে পারছি না। এই অবস্থায় বাড়ি যাওয়া হয়তো ঠিক হবে না।

এই বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, পারিবারিক ও সামাজিক’ দিক বিবেচনায় কমিটি থেকে বাদপড়া ‘বিতর্কিত’ ১৯ জন নেতার নাম প্রকাশ করা হয়নি। তাদের ব্যক্তিগতভাবে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি?

তিনি বলেন, এর আগে যখন আমরা ১৬ জনের নাম প্রকাশ করেছিলাম, তার পরে তাদের অনেকের বাবা-মা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। অনেকে কান্নাকাটি করেছেন। প্রত্যেকেরই একটা সম্মান আছে। নাম প্রকাশ করলে গণমাধ্যমে এমনভাবে ছড়াবে, তাদের মারাত্মক সম্মানহানি হবে। যেমন-যাদের নামের পাশে মাদকাসক্ত লেখা আছে, গণমাধ্যমে নাম প্রকাশের পর তাদের বাবা-মা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হবেন। সন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, বাবা-মা তো আর জানেন না যে সে মাদকাসক্ত।

অন্যদিকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই তাদের সর্বোচ্চ গঠনতন্ত্র। শেখ হাসিনা এ মুহূর্তে বিদেশ সফরে রয়েছেন। দেশে ফিরলে তাদের কাছে থাকা সব তথ্য-প্রমাণ ও তালিকা তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছেই দেবেন।

১০ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঢাবি ছাত্রলীগে

সনজিত চন্দ্র দাস ও সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। আংশিক কমিটি গঠনের প্রায় ১০ মাস পর ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ২৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে। নবঘোষিত ওই কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বাইরে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ৫১ জন সহ-সভাপতি, ১১ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক, ৩০ জন বিভিন্ন সম্পাদক, ৯৬ জন উপ-সম্পাদক, ৩৪ জন সহ-সম্পাদক ও ১৬ জন সদস্য রয়েছেন। তারা হলেন- সহ-সভাপতি আকাশ সরকার, মনিরুজ্জামান মুন্না, ইমরান খান, জাহিদ হাসান, সাকিব হোসেন সিফাট, জাকারিয়া খান শাকিল, সিফাত উদ্দিন জয়, কৃষ্ণ সরকার, মৌটুসী হানিফ মৌ, মাসুম বিল্লাহ, জাহাঙ্গীর আলম, আল আমিন ইসলাম, সুমন রায়, আরিফ মিয়া, কায়সার, আরিফুজ্জামান হেলালি, নাহিদ হাসান সুজন, রিয়াজ উদ্দিন ভূইয়া, কামাল হোসেন, নাজমুল হক মামুন, ফারজানা নিপা, মির্জা ফাহিম আহমেদ, হাসান জাহাঙ্গীর সুজন, মনিরুজ্জামান রিপন, রবিউল ইসলাম রবি, আরিফ হোসেন, আব্দুল্লাহ আল ফাহিয়াল, আলী আকবর আবির, মুনতাকিম গনি ভূঁইয়া, তৌফিকুল ইসলাম পাঠান, মেহেদী রবিন, নাজমুল হাসান রনি, গাজীউর রাজা, মনিরুজ্জামান অনিক, ফজলে এলাহী শুভ, বিপ্লব কুমার দেবনাথ, জীবন রায়, মশিউর রহমান তারেক, ইমতিয়াজ রাজা, তানভির আহম্মেদ, মুক্তাদির হোসেন, রাকিবুল ইসলাম, মাহমুদুল হক আরিফ, আরিফুল ইসলাম জহিরুল ইসলাম, সজীব আহসান, আযহারুল ইসলাম সুমন, আল মুহাইমিন মুক্তা, জহিরুল ইসলাম জিসান। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- হোসাইন আহমেদ সোহান, সৌরভ সিকদার, আব্দুল আলিম খান, সায়মা আক্তার প্রমি, শাহজালাল, তরিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, লাবিবুজ্জামান মুসতাবিন, রফিকুল ইসলাম সবুজ, হাসিবুল হোসেন হাসিব।

সাংগঠনিক সম্পাদক- এসএম মেহেদী হাসান শিমুল, শামসুল আরেফিন রিয়েল, সিরাজুল ইসলাম, রাকিব হাসান, মেহেদী হাসান সুমন, শেখ মোহাম্মদ তুনান, ইয়াসিন আরাফাত তূর্য, আবু সায়েম মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, সাঈদ হাসান, জহিরুল ইসলাম, তালাশ ইমরান।

প্রচার সম্পাদক- রঞ্জন কুমার বিজয়, উপ-প্রচার সম্পাদক মাহফুজ হোসেন হিমু, যুবায়ের আহম্মেদ, জয় মাতব্বর, মহসিন আলম তালুকদার, মেজবাউল ইসলাম মিসুক, আছির মুরাদ তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক মিঠু ঘোষ, আমিরুজ্জামান পিয়াল, পিএম তারুণ্য অপু, মেহেদী হাসান, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক- আকিব মো. ফুয়াদ, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. শাহিনুজ্জামান, নাজমুস সাদাত লিমন, সানজিদা জেরিন, সোহাগ রানা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- বিবেকানন্দ দাস, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মোশাররফ হোসেন খান মুন্না, আব্দুর রহমান বিশ্বাস, প্রমা দেবনাথ, জান্নাতুল ফেরদৌসি, শিবলী হাসান, সানজিদা শাহানাজ শর্মী, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক এম ইবনুল হাসান, উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক মো. বাঁধন, সার্জিল খান, সমাজসেবা সম্পাদক ওয়ালিউল্লাহ রাসু, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক সৈকত বড়ুয়া, ফাহাদ বিন আব্দুল হাকিম, ক্রীড়া সম্পাদক এনাম হাসান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক শ্রী কৃষ্ণ সরকার, আরিফুর রহমান তুহিন, মইনুল হাসান, জীবন চন্দ্র রায়, শাফায়াত জামিল, গাজী রাশেদ শাহরিয়ার, পাঠাগার সম্পাদক রাজু আহমেদ, উপ-পাঠাগার সম্পাদক আতিক ইসলাম রানাফ, মেহেদী হাসান শান্ত, আব্দুল্লাহ আল নোমান, আব্দুর রশিদ মোল্লা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু, উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তানজিম আহমেদ, সৈয়দ হাজ্জাজ বিন রাজ, আবু মুসা শুভ, ইয়াসমিন আল মামুন, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আল ফাতুন, পূজা মহন্ত, কবিতা জামান প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক প্রভাকর বাওয়ালি, সাদিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, সুজন হোসেন, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক অর্জুন কুমার দত্ত, উপ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ফারজানা রুমি, শাহরিয়ার নাজিম রাসেল, তরিকুল ইসলাম তারেক, অর্থ সম্পাদক রাব্বিন হাসান খান, উপ-অর্থ সম্পাদক ইশতিয়াক উদ্দিন, হূদয় সাজ্জাদ হোসেন খান, আইন সম্পাদক সম্পাদক সুমাইয়া সিদ্দিকা গুহ, উপ-সম্পাদক ইমাম মেহেদী, মুসাব্বির হোসেন রাফি, পরিবেশ সম্পাদক তানজীদ হোসেন তামিম, উপ-পরিবেশ সম্পাদক জুয়েল ইসলাম, প্রকাশ কুমার সরকার, পার্থসারথী দেবনাথ, রাকিব রানা, স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক তালুকদার রুবেল, উপ-স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক মো. জানে আলম জনি, রিফাতুল ইসলাম রিফাত, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, রাহুল উপ-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান, সাদ মণ্ডল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রেদওয়ান সাব্বির রিয়াদ, উপ-ধর্মবিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক আশীষ হালদার, মাসুক বিল্লাহ মুজাহিদ, গণশিক্ষা সম্পাদক হূদয় হাসান শোহাগ, উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক আজহার উদ্দিন রাসেল, মাসুম বিল্লাহ, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শোভন সাহা, উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কিবরিয়ার নিলয়, জিয়াউর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক এসএম রাকিব সিরাজী, সাহিত্য সম্পাদক খাতুন কবির অয়ন, মোস্তফা কামাল রনি, আসিফুল ইসলাম, আহসান আল কদর শুভ, গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক সাকিব আল হাসান, উপ-গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন সম্পাদক মাকসুদুল হক আকাশ, তরিকুল ইসলাম, মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম তুহিন, উপ-মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাকিম খান, নাজমুল হাসান রুপু, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, আপ্যায়ন সম্পাদক পিনাক পাল, উপ-আপ্যায়ন সম্পাদক ওমর ফারুক পিয়াস, সৈয়দ আবু হুরাইরা আদর, রাজীব সরকার আকাশ, রাহুল মজুমদার, ছাত্রবৃত্তি সম্পাদক শেখ আরিফিন ইমরোজ, উপ-ছাত্রবৃত্তি সম্পাদক সোহেল হাজারী, আজিম আনোয়ার রাজীব, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মুবিন ইবনে হাসান, উপ-মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা সম্পাদক সুদীপ্ত রায় শুভ, বাপ্পারাজ, আবু জাফর সবুজ, সেলিম রেজা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আশফাক আহম্মেদ, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান, শাহ আরমান ফকির, আফজাল খান, সারিমা তানজিম অর্নি, নাট্য বিতর্ক সম্পাদক শাহনাজ ফেরদৌস মৌ, মাসুদুল করিম, এমদাদুল হক চঞ্চল, কর্মসূচি পরিকল্পনা সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, উপ-কর্মসূচি পরিকল্পনা সম্পাদক তৌফিক হাসান মেহেদী, আল আমিন ভূইয়া, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাবিষয়ক সম্পাদক নোমান খান, উপ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মেহেদি হাসান কিরণ, সিফাত আল মুস্তাহিদ, সহ-সম্পাদক নাকিব হোসেন, মজনু আলম, সোহাগ মিয়া, হোসেন জান্নাতুল তানভি, মাহবুব আলম লিমন, মাকসুদুর রহমান মিথুন সানোয়ার হোসেন, মেহেদী হাসান, নেচার আহমেদ খান তাসিন, এজে সেলিম, আসিফুর রহমান আসিফ, অলিউর রহমান, রাশেদুল আলম নোমান, লামিয়া আক্তার, জাহিদ আলম, আগুন ধর, রফি মোহাম্মদ জায়েদ, এসএম বাপ্পি সুজন ওয়াসিম ইফতেখার হোসেন চৌধুরী, শেখ আবদুল মোহাইমিন তনয়, নাজিম আল দ্বীন, আরাফাত হোসেন চৌধুরী, খালেদ হাসান রাহাত, প্রিয়াঙ্কা দে, এসএম রফিউজ্জামান রাফি, নোয়াইসিং মারমা, আসফাক ফেরদৌস, কাজী সুমন, এমদাদুল কাদের শায়ন, রাইসা নাছের, সাইদুল ইসলাম বাদল, রাজিব ঘোষ, সাইদুজ্জামান সোহাগ।

গত বছরের ২৯ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। ৩১ জুলাই কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি সনজিতকে সভাপতি ও সাদ্দামকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আস/এসআইসু

Facebook Comments