চকরিয়া পৌর এলাকার অলি-গলিতে মেয়র আলমগীর চৌধুরীর প্রশংসার বাণী

এম, রিদুয়ানুল হক, কক্সবাজারঃ
কিছুদিন পূর্বে বিবিসিএকাত্তর ও ডিস্ট্রিক্টনিউজ২৪ অনলাইন নিউজ পোর্টালে “মেয়র আলমগীর চকরিয়া পৌরবাসির আলাদীনের প্রদীপ” হেডলাইন করে একটি নিউজ করেছিলাম। নিউজটি সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তা পেয়ে প্রায় ২০০০ এর মতো শেয়ার হয়েছে। যা অনলাইন জগতে শীর্ষ চূড়ার কাছাকাছি!!

আজ তার ধারাবাহিকতায় আবারো কয়েক কলম লেখার সাহস পাচ্ছি। প্রথমে বলে রাখছি- সত্যকে সত্য বলা আমার ধর্ম। কেউ হাসুক বা কেউ নেগেটিভ মন্তব্য করুক এটি আমার কিছু যায় আসে না। আবার কারো মিথ্যাকে সত্য বলে টাকা আয় করা আমার অভ্যাসের অনেক বাইরে। হয়তঃ অনেকে বলে বেড়াবেন প্রতিবেদক মহোদয় মেয়রের কাছ থেকে হয়তঃ অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে লিখতে বসেছে। এরকম প্রমাণও কিন্তু আমার কপালে নেই। তারপরও প্রিয় পাঠকদের কাছে বর্তমান পৌর আলাদীনের প্রদীপ আলমগীর চৌধুরীর কিছু সাফল্য তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

চকরিয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিস্তারিত বর্ণনা করে বিশাল প্রতিবেদন তৈরি করা আমার পক্ষে তেমন কঠিন কাজ নয়। কিন্তু অতীতের ইতিহাস টেনে এনে কোনো জনপ্রতিনিধির মান ক্ষুন্ন করা বা তাঁদের মানকে বিশাল উঁচুতে নিয়ে যাওয়া আমার আলোচ্য বিষয় নয়। শুধু বর্তমান পৌর পিতার কিছু গুণগান করতে আমার সামান্য প্রচেষ্টা।

মেয়র আলমগীর চৌধুরী চকরিয়া পৌরসভার এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। সার্বক্ষণিক পরিশ্রম করা তাঁর ধর্ম। প্রতিনিয়ত পরের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন তিনি। নাই কোনো তাঁর অহংকার বা আত্মগৌরব। নিজেকে সর্বদা সাধারণ মানুষের বেশে দিনযাপন করছেন তিনি। সবমিলে বলা যায় তিনি চকরিয়া পৌরবাসির শতভাগ যোগ্য জনপ্রতিনিধি।
বিপুল ভোটে পৌর পিতা নির্বাচিত হয়ে পৌর সিংহাসনে বসার পর থেকে চকরিয়া পৌর এলাকার অলি-গলিতে চলছে উন্নয়নের মহোৎসব। শতশত কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সবার নজরকে দৃষ্টি নন্দন করে তুলছে। চকরিয়া পৌরশহরের বেশিরভাগ ছোট-বড় সড়ক দেখলে মনে হবে এটি একটি ছোট্ট রাজধানী। পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থার জন্য প্রতিটি সড়কের পাশে তৈরি করা হয়েছে চমৎকার চমৎকার ড্রেন। এর উপর মানুষের চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছে টাইলসযুক্ত ফুটপাত। যা পৌরবাসির দৃষ্টিগোচরে পড়েছে। পাশাপাশি ছোট-বড় সড়ক উন্নয়নে পাল্টে যাচ্ছে চকরিয়া পৌরশহরের দৃশ্য।

যে সড়ক দিয়ে মানুষ হাঁটা কষ্টকর ছিল, সেই সড়কে চলছে এখন যন্ত্রচালিত বিভিন্ন ধরনের গাড়ি। যে পথে গাড়ি চালানোর কোন উপায় ছিল না, সেই পথ এখন গাড়ি চালানোর সহজ মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।বিশেষকরে চকরিয়া থানা থেকে ফুলতলা হয়ে জনতা মার্কেট পর্যন্ত যে সড়কটি মানুষের অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বে মেয়র আলমগীর চৌধুরীর প্রচেষ্টায় আজ সেটি বিশ্বরোড়ে পরিণত হয়েছে। যে সড়ক দিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল- কলেজে যাতায়ত করতো আজ ঐ শিক্ষার্থীরা অভিভাবক বিহীন তাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে যেতে সাহস পাচ্ছে। এই সড়ক দিয়ে হাঁটার সময় বা যানবাহনে চড়ার সময় মেয়র আলমগীর চৌধুরীর প্রশংসার বাণী বহু শিক্ষার্থী ও পথচারীদের মুখ থেকে শুনতে পাচ্ছি। আমি যেহেতু একজন শিক্ষক সেহেতু প্রায় শিক্ষার্থীদের সাথে আমার কম-বেশি যোগাযোগ রয়েছে। ঐসকল শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শুনতে পেয়েছি মান্যবর মেয়রের উন্নয়নের প্রশংসার মর্মবাণী।

শুধু তাই নয় বর্তমানে চকরিয়া পৌরশহরের অলি-গলিতে চলছে উন্নয়নের ঝর্ণাধারা। যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই উন্নয়নের সমারোহ দেখতে পাওয়া যায়। হয়তঃ অল্প সময়ের ব্যবধানে এই পৌরসভাটি দেশের সর্বোচ্চ সিঁড়িতে স্থান করে নেবে। বর্তমানে জনমুখে জোরেসুরে প্রচারিত হচ্ছে চকরিয়া পৌরশহরের উন্নয়নের একমাত্র রূপকার মেয়র আলমগীর চৌধুরী। চকরিয়া পৌর এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রিয়পাত্র হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছেন আলমগীর চৌধুরী।

এদিকে মেয়র আলমগীর চৌধুরী নিজের ঘুমকে হারাম করে বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন দপ্তরে ছুটে বেড়াচ্ছেন চকরিয়া পৌরবাসীর ভিক্ষার ঝুড়ি নিয়ে। এমপি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত প্রতিনিয়ত দৌড়াচ্ছেন তিনি। তাঁর শুধু একটি আশা- চকরিয়া পৌরসভাকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা বর্তমানে সরাসরি তাঁর উন্নয়ের মহোৎসব দেখতে পাচ্ছি। হয়তঃ অল্প সময়ের মধ্যে তাঁর স্বপ্ন পূরণ হবে।
বর্তমান পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নজিরবিহীন উন্নয়ন হচ্ছে যা পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর এতো উন্নয়ন অতীতে হয়নি। বর্তমানে পৌরসভার আনাচে-কানাচে এমন কোন জায়গা নাই যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বর্তমানে চকরিয়া পৌরএলাকার বৃহত্তর অংশ এখন পিচঢালা রাস্তা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার আওতায়।

চকরিয়া পৌরসভার রুপকার মেয়র আলমগীর চৌধুরীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে চকরিয়া পৌরসভার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নমুলক কাজ। সফল পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরীর উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থাপিত হয়েছে এবং হচ্ছে পৌর এলাকার বিভিন্ন রাস্তা, কালভার্ট, ড্রেন, লাইটিংসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ।
আমরা জানি, সবাইকে দিয়ে সবকাজ হয় না। কিন্তু বর্তমান মেয়র আলমগীর চৌধুরী এর ব্যতিক্রম। তিনি পৌর শহরের যেখানে হাত দেন সেখানেই আলাদীনের প্রদীপ উপস্থিত হয়। না হয় এতো উন্নয়ন করা কারো পক্ষে মোটেও সম্ভব নয়।

পরিশেষে পৌরবাসীকে বলবো- আসুন, সবাই একবদ্ধ হয়ে পৌর পিতা আলমগীর চৌধুরীকে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ডে সহযোগিতা করি। উন্নয়নকৃত বিষয়গুলোকে নষ্ট না করে নিজের মতো করে যত্ন করি। সর্বোপরি- মেয়র আলমগীর চৌধুরীর জন্য সর্বোচ্চ দোয়া কামনা করি। মনে রাখবেন তিনি আমাদেরই একজন ভাই।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box