করোনা দ্বীতিয় ঢেউ, মাস্ক বিতরনে মাঠে ওসি জসিম উদ্দীন

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নো মাস্ক নো সেল” মাস্ক পরিধান ব্যতীত দোকানে প্রবেশ নিষেধ , নেতিবাচক নয়, পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হবে ওসি, জসিম উদ্দিন।

লক্ষ্মীপুরে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা, ও জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে নানান উদ্যোগ হাতে নিয়েছে লক্ষীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও লক্ষীপুর সদর মডেল থানা পুলিশ প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের শতাধিক দোকানে “নো মাস্ক নো সেল” মাস্ক পরিধান ব্যতীত দোকানে প্রবেশ নিষেধ লেখা পেস্টুন বিতরন ও দৃশ্যমান স্থানে তা লাগিয়ে করোনাভাইরাস থেকে সাধারন জনগনকে সচেতন করার প্রয়াস চালানো হয়।

এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুম ও লক্ষীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে এবার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষের পাশে ছুটে গেলেন করোনাভাইরাস প্রতিরোধক বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে।

এ-র আগে অতীতের ন্যায় সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় ঘুরে নিজ হাতে মাস্ক পরিধান, মাইকিং, লিফলেট, এবং কি জনসাধারণকে করোনাভাইরাস সম্পর্কে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন করছেন, সবাইকে সরকারের আইন নিয়ম মেনে সচেতনতার পাশাপাশি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার সাথে চলার জন্য অনুরোধ করছেন। লক্ষীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন। বিগত কয়েকদিন থেকে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় লক্ষীপুর সদর মডেল থানার আওতাধীন বিভিন্ন বাজার ও এলাকায় পুলিশকে এমন মানবিক দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

(উল্লেখ্য গত বছর চন্দ্রগঞ্জ থানায় অফিসার ইনচার্জ থাকাকালীন সময়ে করোনাভাইরাসের ১ম ধাপে, সকাল -সন্ধ্যা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষকে সচেতনতা থেকে শুরু করে, রাতের অন্ধকারে শতশত নিরিহ পরিবারের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য, ও করোনা সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে, একজন সফল (যোদ্ধা) অফিসার হিসেবে চন্দ্রগঞ্জ থানা বাসীর অন্তরে জায়গা করে নিয়েছন)।

নো মাস্ক নো সেল” মাস্ক পরিধান ব্যতীত দোকানে প্রবেশ নিষেধ।এই স্লোগানকে ধারণ করে,
করোনাভাইরাসের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে এবং। নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাইকে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে লক্ষীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন।
লক্ষীপুর থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, দুষ্টের দমন সৃষ্টের পালনের সঙ্গে, পুলিশ হবে জনতার, সেই মন্ত্র নিয়েই আমরা এই সময় আরো মানবিক হতে চেষ্টা করছি। ওসি আরও বলেন , নেতিবাচক নয়, পুলিশ সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারণা তৈরি করতে হবে।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা প্রতিরোধে করোনাভাইরাসের ১ম থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার বিষয়ে জানতে চাইলে, লক্ষীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দিন ৭১ কন্ঠকে বলেন। লক্ষীপুরসহ সারা বাংলাদেশের পুলিশ ডিপার্টমেন্টের গৌরব আমার অবিভাবক লক্ষীপুর জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার ডাঃ এ এইচ এম কামরুজ্জামান পিপিএম স্যার, ২৪ ঘন্টা নিরলসভাবে লক্ষীপুরের জনসাধারণের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে কাজ করে যাচ্ছেন। স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

Facebook Comments Box