এবারের বিশ্বকাপে ছড়ি ঘোরাবেন যে ৫ লেগ স্পিনার

আলোকিত সকাল ডেস্ক

এবারের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে ‘লেগ স্পিন’ একটা ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন অনেকেই। একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া মোটামুটি সব দলেই লেগ স্পিনার আছেন। ইংল্যান্ডে কেমন করবেন লেগ স্পিনাররা? কৌতূহলটা অনেকেরই। তবে মজার ব্যাপার হলো, এবারের বিশ্বকাপটা লেগ স্পিনারদের জন্য যেন অভিষেকের বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ড দিয়েই বিশ্বকাপ অভিষেক হতে যাচ্ছে অনেক লেগির।

যুজবেন্দ্র চাহাল

সবকিছু ঠিক থাকলে ইংল্যান্ডেই প্রথম বিশ্বকাপের স্বাদ পেতে যাচ্ছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০১৬ সালে অভিষেকের পর থেকে অধিনায়ক বিরাট কোহলির চরম আস্থার জায়গা এখন চাহাল। কুলদীপের সঙ্গে বোলিং পার্টনারশিপটাও ভালোই জমেছে। দুজন মিলে ৪৫ ম্যাচে পেয়েছেন ১৫৯টি উইকেট! কুলদীপ যাদবেরও এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা। এই বোলারও কিন্তু বাঁহাতি লেগ স্পিনার। ইংল্যান্ডে প্রতিপক্ষকে আটকাতে ভারতের মূল ভরসা এই লেগ স্পিনার জুটি।

আদিল রশিদ

৩১ বছর বয়সে এসে ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন আদিল রশিদ। নিজের মাঠে বিশ্বকাপ , তাই নিজের সবটুকুই মাঠে নিংড়ে দিতে চাইবেন নিশ্চিত। ডেথ ওভারে উইকেট নেওয়াটা এখন অনেকটাই অভ্যাসে পরিণত করেছেন এই লেগ স্পিনার। অভিষেকের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮৭টি ম্যাচ খেলেছেন, নিয়েছেন ১৩২টি উইকেট। ইকোনমি রেটটাও ঈর্ষণীয়, ৫. ৬১। এবারের বিশ্বকাপে তাই আদিল রশিদকে নজরে রাখতেই হবে ব্যাটসম্যানদের।

রশিদ খান

আফগানদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন অনেকটা তাঁর একার ঘাড়ে। দলের বিপদে হাল ধরতে পারেন বলেই রশিদ খানকে নিয়ে এত প্রত্যাশা সবার। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ইতিমধ্যেই শীর্ষ বোলারের খেতাব গায়ে জড়িয়ে নিয়েছেন। ওয়ানডেতেও কম যান না, র‍্যাঙ্কিংয়ে তিনে আছেন এই লেগ স্পিনার। বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানরাও যেন অসহায় তাঁর সামনে। এখন শুধু বিশ্বকাপে বিশ্বজয়ের অপেক্ষা।

অ্যাডাম জাম্পা
বোলিং গড়টা ৩৫.৪৫, ইকোনমি ৫.৫৯। নিঃসন্দেহে অস্ট্রেলিয়ার স্পিন বিভাগের প্রথম পছন্দ অ্যাডাম জাম্পা। গত দুই বছরে নিজের জায়গাটা ভালোমতোই পোক্ত করেছেন এই লেগ স্পিনার। গত ভারত সফরেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বড় টার্ন করানোর ক্ষমতা থাকলেও মূল শক্তিমত্তার জায়গাটা ধারাবাহিকতা। নিজের প্রথম বিশ্বকাপেও এমন ধারাবাহিকতাই ধরে রাখতে চাইবেন এই স্পিনার। এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে চাইলে জাম্পাকেও বেশ সাবধানেই সামলাতে হবে প্রতিপক্ষদের।

শাদাব খান
বয়সটা হয়তো মাত্র বিশ বছর, কিন্তু এই অল্প বয়সেই পাকিস্তানের স্পিন বিভাগটা বেশ ভালোই সামলাচ্ছেন শাদাব। বড় মঞ্চে বড় নাম হওয়ার অভিজ্ঞতা ২০১৭–এর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেই হয়েছে। বিশ্বকাপটা যদিও এখন পর্যন্ত অদেখা। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার এখনো অতটা দীর্ঘ হয়নি। খেলেছেন মাত্র ৩৪টি ম্যাচ, তবে এই ৩৪ ম্যাচেই পেয়েছেন ৪৭ উইকেট।

আস/এসআইসু

Facebook Comments