এক নজরে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জীবনী

আলোকিত সকাল ডেস্ক

ভারতের কোচবিহারের দিনহাটায় ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এরশাদ যেখানে পা রেখেছেন সেখানে বিজয়ের চিহ্ন এঁকেছেন। জীবনে সোনালী রাজনীতির ভাজে ভাজে সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে গ্রাম বাংলার মানুষের ভালোবাসা। বাংলা ও বাঙালিকে তিনি প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। তাই বাংলার মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছিলেন পল্লীবন্ধু।

কারণ তিনি বাংলাদেশের প্রত্তর অঞ্চলে ঘুরে বেরিয়েছেন। বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্র প্রধান মানুষের এত কাছে যাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেননি। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দক্ষ ও সফল রাষ্ট্রনায়কের সম্মানে অভিহিত করা হয় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে। তিনি আধুনিক বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা।

তিনি ১৯৫২ সালে এরশাদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানে অবস্থান করেছিলেন এরশাদ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অ্যাডজুনান্ট জেনারেল হিসেবে ১৯৭৩ সালে নিয়োগ পান তিনি।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন এরশাদ। এরপর ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৮৬ সালে এরশাদ পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯০ সালে প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এরশাদ।

১৯৯১ সালে এরশাদকে গ্রেফতার করে তাকে কারাবন্দি করে রাখা হয়।

১৯৯১ সালে জেলে বসেই রংপুরের পাঁচটি আসনে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে এরশাদ। এবং তিনি বিজয়ী হন।

১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনেও পাঁচটি আসনে নির্বাচিত হন এরশাদ।

ছয় বছর জেলে থাকার পর ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি জামিনে মুক্ত হন এরশাদ।

২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

২০১৯ সালে জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এরশাদ।

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।

আস/এসআইসু

Facebook Comments