উপজেলা নির্বাচন দেরি হলে গনতন্ত্র চর্চা হবে সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাচন প্রার্থী আবু ছালেহ

মোহাম্মদ তারেক

চট্রগ্রামের সাতকানিয়া থানার এওচিয়া গ্রামে আওয়ামী/মুক্তিযুদ্ধা পরিবারের সন্তান আবু ছালেহ। বর্তমান বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন চট্রগ্রাম দক্ষিন জেলার সভাপতি,চট্রগ্রাম সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামিলীগের নির্বাহী সদস্য জনাব আবু ছালেহ। এছাড়া নিজ গ্রামের দুইটি উচ্চ বিদ্যালয়ের গভর্নির বডির সভাপতি ও একটি অটিজম স্কুলের কো-চেয়ারম্যান।

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি এক সাক্ষাৎকারে তার ছাএ জীবন,রাজনৈতিক জীবন নিয়ে কথা বলেন। ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হয় তার রাজনৈতিক জীবনের পথ চলা। স্কুল জীবন থেকে কেন্দ্রীয় ছাএলীগের সাবেক সভাপতি মাইনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সহকারি বিপ্লব বড়ুয়াদের হাত ধরে রাজপথের যাএা শুরু, এর পর সাতকানিয়া কলেজ ছাএলীগের সভাপতি। শুরুতেই বলেন যখন রাজনীতি শুরু করি পর পর তিনটা এক্সিডেন্ট, প্রথমে ১৯৯৮ সালে ততকালিন তিন তিনবার নির্বাচিত উইপি চেয়ারম্যান তার বড় ভাই বীর মুক্তিযুদ্ধা নুরুল কবির কে নিজ গ্রামে চায়ের দোকানে নাস্তা খাওয়া অবস্থায় গুলি করে হত্যা করে।

১৯৯৯ সালে তার ভাগিনা ইয়াসিন কে হত্যা করে। তারপর ২০০১ সালে তার সেজ ভাই ততকালিন সাতকানিয়া উপজেলা যুবলীগ নেতা স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক, চট্রগ্রাম মহসিন কলেজের ভিপি প্রার্থী শহিদ গোলাম হোসেন কে সাতকানিয়া সদরে বোরকা পড়ে মহিলা সেজে এসে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে নিজ বাদী হয়ে মামলা করায় তাকে অনেক হুমকি দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে উলটা মামলা দিয়ে কারাবরণ কররে হয়।

টানা ৫ বছর নিজ গ্রাম ছেড়ে বাইরে চলে যেতে হয় পুরা পরিবারকে। তিনি বলেন সবার দোয়ায় আমি আইনি ভাবে সব মামলা খারিজ করে আসতে পেরেছি তবে রাজনীতি থেকে আমাদের চাওয়া পাওয়া অন্যদের মত নয়। আমাদের রক্ত আওয়ামিলীগের সাথে মিশে গেছে। পরপর তিন স্বজন হারানোর পর পরিবারের একটাই চাওয়া আমরা রাজনীতি থেকে সরে যাই কিন্তু এক পা’ও পিছনে যাইনি। আজ নুরুল কবির গোলাম হোসেন সহ সাতকানিয়ায় ১২ জন নেতা রক্ত দিয়েছে বলেই আমরা আজ স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারতেছি, তারা রক্তে দিয়েছেন বলেই আমরা নৌকা প্রতিকের এমপি,চেয়ারম্যান পেয়েছি।

তিনি আরো বলেন এখন আমরা আওয়ামিলীগ থেকে নৌকার প্রার্থী পেয়েছে প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভী তিনি এমন একজন ব্যাক্তি যার হাত ধরে সাতকানিয়ার ইতিহাসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন যেটা সাতকানিয়া বাসী সপ্নেও ভাবেনি। তাই আমি মনে করে যারা দুঃসময়ে ত্যাগ শিকার করেছেন এখন তাদের মূল্যায়ন করার সময় এসেছে। আমার অতীত বিবেচনা করে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী যদি আমাকে আসন্ন উপজেলা নির্বাচন করতে সুযোগ দেয় জনগন আমাকে ভোটে নির্বাচিত করলে আমি আমাদের সাতকানিয়ার উন্নয়নের কান্ডারি মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা নদভী সাহেবের হাত ধরে জন মানুষের সহযোগিতায় সাতকানিয়া উপজেলাকে একটা আধুনিক ও ডিজিটাল সাতকানিয়াতে পরিনত করব ইনশাআল্লাহ।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box