ঈদুল আজহার বাজারে বাংলার রাজা’র দাম হাঁকা হলো ১৫ লাখ

তার দাম হাঁকিয়েছেন ১৫ লাখ টাকা। এবারের ঈদুল আজহার বাজারে ‘বাংলার রাজাই’ হচ্ছে কুড়িগ্রাম জেলার প্রথম এবং একমাত্র বড় ষাঁড়। এর ধারেকাছে নেই একটিও- এমনটাই তিনি মনে করেন।

‘বাংলার রাজা’র মুনিব জয়নাল আবেদিন আরো জানান, কয়েক বছর আগে দুধের যোগান দিতে একটি গাভি কিনে আনেন তিনি। সেই গাভির পেট থেকে এই রাজার জন্ম। নিত্যান্তই শখের বশে লালন-পালন করেন। সম্পূর্ণ দেশি খাবারে বড় করা হয় ষাঁড়টিকে। কোনেপ্রকার রাসায়ানিক খাদ্য দেওয়া হয়নি। প্রয়োগ করা হয়নি কোনোপ্রকার মোটাতাজা করার ওষুধ। জয়নালের দাবি, শুধুমাত্র ধানের গুঁড়ো, গমের ভুষি, খড় আর ঘাস খাওয়ানো হয়েছে তাকে। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ শ টাকার খাবার খাওয়ানো হয়েছে ষাঁড়টিকে।

পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে লালন করে বড় করেছি। এখন বিক্রি করতে হচ্ছে। এমনটা ভাবতেই খারাপ লাগে। বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার পরেই প্রতিদিন দু-একজন  ক্রেতা আসছে বাড়িতে। তবে মনমতো দাম বলছে না। করোনা মহামারি, বন্যা আর বৃষ্টি না থাকলে এতদিন ভালো দামে বিক্রি করতে পারতাম। তবে তিনি আশাহত নন, লাভ না হলেও আসল দামে বিক্রি করতে পারবেন বলে প্রতাশা তার।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকতা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. কে এম ইফতেখারুল ইসলাম জানান, জয়নাল আবেদিন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে প্রতিপালন করেছেন, আমরা গরুটির খোঁজখবর নিচ্ছি। ন্যায্যমূল্যে তিনি গরুটি বিক্রি করতে পারবেন আশা করছি।

Facebook Comments Box