আ.লীগ দেশকে দুর্নীতির রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত করেছে

আলোকিত সকাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগ সরকার ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে দুর্নীতির রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে দাবি করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক নজরদারী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সর্বশেষ দুর্নীতি ধারণা সূচক-২০১৮ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে প্রতি বছর দুর্নীতির মাত্রা বাড়ছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে দুর্নীতি বেড়েছে ২০১৭’র তুলনায় বেশি। ২০১৮ সালে ওই সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম- যা ২০১৭ সালে ছিল ১৭তম স্থানে

রোববার (২১ জুলাই) দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, দুদক চেয়ারম্যান বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরল বিশ্বাসে কৃতকর্ম কোনো অপরাধ নয়। এর আগে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্তাদের সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খেতে বলেছিলেন। যখন দেশে প্রশাসনিক স্তরে অতি উচ্চ মাত্রার দুর্নীতির সংস্কৃতি বিরাজমান। এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ফাইল যেতেও টেবিলের নিচে আর্থিক লেনদেন করতে হয়। তখন মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের কাছে এ ‘উৎসাহ বার্তা’ দেওয়া হচ্ছে যে, সরল বিশ্বাসে দুর্নীতি করলে কিছু হবে না। ফলে টেবিলের ওপর দিয়েই এখন ঘুষের লেনদেন চলবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ভোটারবিহীন অন্ধকারে নির্বাচিত সরকার দুর্নীতিকে পুরোমাত্রায় প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করে ফেলেছে। সামাজিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে সরকারের ‘টপ টু বটম’ব্যস্ত লুটপাট-ঘুষ-দুর্নীতিতে। চারদিকে চলছে দূর্নীতির উৎসবের আতশবাজী। সর্বগ্রাসী দুর্নীতিতে হাবুডুবু খাচ্ছে দেশ। আইনের শাসন ও সুশাসন এখন ইতিহাসের পাণ্ডুলিপিতে অবস্থান করছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, নির্বিঘ্নে নিরাপদে প্রশাসনের সহায়তায় রাতে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় থাকার জন্য জনগণের কণ্ঠস্বর, আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়াকে ফরমায়েশী মিথ্যা প্রতিহিংসার মামলায় কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। অবৈধ প্রধানমন্ত্রীর জিঘাংসার শিকার খালেদা জিয়া। শেখ হাসিনাই জামিনে বাধা দিচ্ছেন খালেদা জিয়ার। তাকে বন্দি রেখে লুণ্ঠন-দুঃশাসনে দেশকে রসাতলে নিয়ে যাচ্ছে জনধিকৃত সরকার।

আস/এসআইসু

Facebook Comments