আ.লীগ ডেঙ্গু প্রতিরোধকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে’

আলোকিত সকাল ডেস্ক

আওয়ামী লীগ ডেঙ্গু প্রতিরোধকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এই ডেঙ্গুকে আমরা সহজভাবে নিচ্ছি না। আমরা সর্বাত্মকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নিয়েছি। কেন্দ্রীয়ভাবে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। আমরা সচেতনতা মূলক, সতর্কতামূলক সভা-সমাবেশ করব, জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে।

রোববার (২৮ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর সামনে আওয়ামী লীগের ত্রাণ উপ-কমিটির বন্যা কবলিত অঞ্চলে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারিভাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ দুই সিটি করপোরেশনের মেয়রকে নির্দেশ দিয়েছেন ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা নিতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকরী ওষুধ যেন সরবরাহ করা হয়। জনগণকে ডেঙ্গুর আতঙ্ক থেকে রক্ষা এবং বন্যাদুর্গতদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। জনগণকে বাঁচাতে হবে এ দুটি চ্যালেঞ্জ নেতাকর্মীদের। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি।

এছাড়া বন্যা দুর্গতদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করাও আরেকটি চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘এ দুটি চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের ছয়টি ত্রাণ টিম প্রথম দিন থেকে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব রেকর্ড করেছেন। আমরা মানুষের মানবতার টানে পাশে দাঁড়াই।”

এ সময় উপজেলা নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী বিদ্রোহীদের বিষয়ে সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হবে না বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত থেকে এক চুলও নড়িনি। তবে যাচাই বাছাইয়ের জন্য কিছুটা সময় নেয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, যেসব নেতারা যাচাই-বাছাই ও তদন্তের দায়িত্বে আছেন তাদের বেশির ভাগই ত্রাণ বিতরণে ব্যস্ত। তাদের ত্রাণ কার্যক্রম শেষ হলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেব।

দেশ সংকটে নেই বরং বিএনপি সংকটে এমন উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নিজের ঘরেই গণতন্ত্র নেই তারা গণতন্ত্র কিভাবে প্রতিষ্ঠা করবে।

বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম প্রসঙ্গে কাদের বলেন, কয়েক দিন ধরে বিএনপি কয়েকটি জায়গায় নাম মাত্র ত্রাণ দেওয়ার নামে ফটোসেশন করেছে। এটা ছিল লোক দেখানো।

বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য মায়া কান্না করেন বিএনপির নেতারা‌ কিন্তু আমার প্রশ্ন গত দেড় বছর আপনারা দেড় মিনিট রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করতে পারননি। শুধু লিপ সার্ভিস দিয়ে গেছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে গাইবান্ধার ফুলছড়ি, জামালপুরের ইসলামপুর, কুড়িগ্রামের রাজীবপুর, সিরাজগঞ্জের আওয়ামী লীগের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতাদের কাছে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন ওবায়দুল কাদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মেরিনা জাহান, পারভীন জাহান কল্পনা, মির্জা আজম প্রমুখ।

আস/এসআইসু

Facebook Comments