আনোয়ারায় চলছে ঈদের জমজমাট কেনাকাটা

কোরবান আলী টিটু, আনোয়ারা প্রতিনিধি

বাইরে বাড়ছে মেঘ,পড়ছে সামান্য সামান্য বৃষ্টি । অন্যদিকে বিপণিবিতানের ভেতরে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। কেউ এসেছেন বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। যাচাইবাছাই করে কিনে নিচ্ছেন পছন্দের পোশাক।

গত শনিবার (২৫ মে) রাত ১০ টায় দেখা যায়, আনোয়ারা উপজেলার অভিজাত বিপনি বিতান বটতলী হাজী ইমাম শপিং কমপ্লেক্স(জামাল মার্কেট) পুরোদমে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। ব্যবসায়ীরা জানান, কেনাকাটা করতে প্রচুর মানুষ আসছেন। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তাঁদের আশাবাদ।

ইমাম শপিং কমপ্লেক্সের উর্মি ফ্যাশনের মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘রমজানের শুরুর দিকে লোকজন ঘুরে ঘুরে দোকানগুলোর পোশাক পছন্দ করে দেখেছেন। আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম প্রথম থেকেই। এখন গ্রাহকদের ভিড় যেমন বাড়ছে, বিক্রিও হচ্ছে তেমন।’

ছোটদের পোশাকের দোকানগুলোতে উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। হাজী ইমাম শপিং কমপ্লেক্সের রয়েছে শৈল্পিক,লেডিস,জেন্টস,সুজ,কসমেটিকস সহ নানান সুপরিচিত ব্র্যান্ডের দোকান। এসব দোকানে ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল ঈদের পাঞ্জাবি ঘিরে। ব্যবসায়ীরা নিয়ে এসেছেন বিভিন্ন নকশার পাঞ্জাবি। এর পাশাপাশি রয়েছে ফতুয়া, শার্ট, প্যান্ট। দেড় থেকে আড়াই হাজার টাকা দামের পাঞ্জাবির প্রতি ছেলেদের আগ্রহ বেশি।

ছেলেদের পোশাকের পাশাপাশি মেয়েদের পোশাকের জন্যও খ্যাতি রয়েছে এই বিপণিবিতানের।

অন্যদিকে আনোয়ারার মুল কেন্দ্র চাতরী চৌমুহনী বাজারে নবনির্মিত বিপণিবিতান ওয়ান মাবিয়া শপিং মলে ও চলছে জমজমাট ব্যবসা নিচতলায় কাপড়ের দোকান ও দ্বিতীয় তলায় রয়েছে বেশ কিছু গয়নার দোকান।

ওয়ান মাবিয়ার এক দোকানদার বলেন,এখন মার্কেট জমজমাট। যত দিন গড়াচ্ছে বেচাবিক্রি তত বাড়ছে। ক্রেতাদের জন্য বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক রয়েছে আমাদের সংগ্রহে।‘এবার ভারতীয় পোশাকের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে আমাদের দেশীয় পোশাক। ভারতীয় পোশাকের তুলনায় আমাদের দেশীয় পোশাকের দাম তুলনামূলক কম।’ তিনি জানান, এবার বেশি চলছে লং কামিজ ও ফ্রক স্টাইলের জামা।

আস/এসআইসু

Facebook Comments