আতঙ্কের নাম ডেঙ্গু, গণপিটুনি

আলোকিত সকাল ডেস্ক

ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় মহামারি আকারে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব এবং ছেলেধরা সন্দেহে মাত্র দুই সপ্তাহে অন্তত ১২ জনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তটস্থ সারাদেশ। উদ্বেগজনক এ দুই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের পরও তা নিয়ন্ত্রণে না আসায় জনমনে আতঙ্কের পারদ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেখা দিয়েছে সামাজিক অস্থিরতা। তাই ঘোলাটে পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি মুখে স্বীকার না করলেও বাস্তবে সে চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ এবং গুজবের বশবর্তী হয়ে সন্দেহভাজন নিরীহ ব্যক্তিকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা আর কত দিন চলমান থাকবে- তা এখন দেশের মানুষের প্রধান জিজ্ঞাসা হয়েছে উঠেছে। অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাস-লঞ্চ-রেল স্টেশন, রাস্তাঘাট সবখানেই এ নিয়ে দিনরাত আলোচনা। উদ্বিগ্ন মানুষ আতঙ্কজনক এ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার নানা পথ খুঁজছে।

স্বাস্থ্যসেবা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা এরই মধ্যে সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ারও ব্যাপক তথ্য পাওয়া গেছে। আগামী মাসে বা ভর মৌসুমে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। অথচ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সব রোগী সরকারি নজরদারিতে নেই। মাত্র দুই শতাংশ রোগী সরকারের নজরদারিতে রয়েছে।

এদিকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিসবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি চলছে আগের মতোই ঢিলেতালে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়সহ এ কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও এ নিয়ে এখনো কোনো জোরালো সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে পারেনি। সব মিলিয়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণের ছক আগের মতোই অগোছালো রয়ে গেছে। এ অবস্থায় দেশের মানুষ ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সৃষ্টিকর্তার কৃপার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বাস্তবমুখী জোরালো কোনো পদক্ষেপ না থাকায় দেশের মানুষ উদ্বেগ-আতঙ্কের পাশাপাশি চাপা ক্ষোভে ফুঁসছে। কেউ কেউ এ নিয়ে প্রকাশ্যেও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। এ নিয়ে সামাজিক অস্থিরতা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, অনেকে এমন আশঙ্কাও করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে জুলাই মাসের ২২ দিনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন পাঁচ হাজার ৫০ জন রোগী এর মধ্যে ২২ জুলাই সোমবারেই ভর্তি হয়েছেন ৪০৩ জন। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হবে। তাদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেখানোর চেষ্টা করছে। তাদের এ অপচেষ্টার প্রমাণও আছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দেয়া সর্বশেষ তথ্যে জানুযায়ী থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে মোট সাত হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে জুন-জুলাই মাসেই ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৬৪ জন। আর জুলাই মাসের ২২ দিনে এটা সর্বোচ্চ। জানুয়ারি থেকে হাসপাতালে মোট ভর্তি রোগীর ৭০ ভাগই ভর্তি হয়েছেন জুলাই মাসের ২২ দিনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪০৩ জন। এটা এ বছরে সর্বোচ্চ। ২১ জুলাই ভর্তি হয়েছেন ৩১৯ জন, ২০ জুলাই ৩০৮ জন এবং ১৯ জুলাই ২৬৯ জন। এখন আক্রান্তের ঊর্ধ্বগামী প্রবণতা আরও তীব্র হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে কী বলা যেতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে মহাখালীর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, অন্য বছরের তুলনায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা এ বছর অনেক বেশি, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। প্রকোপ বেশি- এটাই বলা যাবে। তবে এ মুহূর্তে বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্য কোনো সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা যাবে না। ডেঙ্গুর এ অবস্থা অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে গত ৯ জুলাই থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত ছেলেধরা সন্দেহে ১২ জনকে পিটিয়ে হত্যার খবর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রগুলো নিশ্চিত করলেও এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কতজন আহত হয়েছে তা জানাতে পারেনি। তবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য পর্যালোচনায় এ সংখ্যা দুই শতাধিকের কম নয়। তবে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, গত ছয় মাসে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ৩৬ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩৯।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিলেও তা নিয়ন্ত্রণে কেন ব্যর্থ হচ্ছে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এ পরিস্থিতি সৃষ্টির নেপথ্য কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে অনেকেই খেই হারিয়ে ফেলেছে।

তবে সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন, উত্তেজিত জনতা কোনো এক বিশেষ মুহূর্তে একরকম ভাবতে শুরু করে। অন্য পরিস্থিতিতে যে ব্যক্তি সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যৌক্তিক কারণ খুঁজবেন, তিনিই হয়তো উত্তেজনায় গণপিটুনির মতো ঘটনার সঙ্গী হয়ে যান। এই ‘মব’ মানসিকতা মানুষের সহজাত উলেস্নখ করে বিশ্লেষকরা বলছেন, জনতার ভিড়ে ব্যক্তির ব্যক্তিসত্তার বিলুপ্তি ঘটে। উত্তেজনার মুহূর্তে বিচ্ছিন্ন, অপরিচিত একেকজন ব্যক্তি মিলে উত্তেজিত জনতার সমষ্টিতে পরিণত হয় এবং বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বলেন, ‘একটি সমাজে পৌনঃপুনিকভাবে “মব” তৈরির ঘটনা কেন ঘটে, কীভাবে ঘটে তার তিনটি ব্যাখ্যা আছে। প্রথমটি হচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা। যখন সমাজে ‘মোরাল প্যানিক’ ছড়িয়ে পড়ে তখন “মব” তৈরি হয়। ‘মোরাল প্যানিক’ হচ্ছে এমন ধারণা বা ভীতি যা সমাজের বড় অংশের মানুষের জীবনযাপনে ভয়াবহ কিছু তৈরির হুমকি নিয়ে হাজির হয়। এগুলো বিভিন্ন কারণে ছড়ানো হয়। ওই অবস্থায় “ইভিল” মোকাবিলার নামে, লোকজন দল বেঁধে ওই ইভিলের প্রতীক হিসেবে একজন মানুষকে আক্রমণ করে, হত্যা করে।’

আর দ্বিতীয় ব্যাখ্যা হচ্ছে সামাজিক। একটা সমাজে যখন সামাজিক বাঁধনগুলো দুর্বল হয়ে যায় তখন দেখা যায়, মানুষ আর এই ধরনের ঘটনার যে মানবিক একটা দিক আছে, তারা যে অন্য একজন মানুষকে হত্যা করছে তা ভাবে না। মানুষ ভাবে না, কেননা ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে, আইনবহির্ভূতভাবে হত্যার একধরনের বৈধতা তৈরি হয়েছে।

তৃতীয় ব্যাখ্যা হচ্ছে রাজনৈতিক। যখন আইন-আদালত, পুলিশ, সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওপরে মানুষের আর কোনো আস্থা থাকে না এবং তারা ধরে নেয় যে, এই ব্যবস্থায় সুবিচার হবে না, ফলে তাকেই এই ‘বিচার’ করতে হবে। এবং দ্বিতীয়ত যখন রাষ্ট্র, সরকার ও প্রভাবশালীরা এই ধরনের ঘটনাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উসকে দেয়, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিচার হয় না, উপরন্তু ক্ষমতাসীনদের আনুকূল্য পায়। সেটা অন্যদের ‘মব’ হয়ে উঠতে উৎসাহী করে।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নেহাল করিম যায়যায়দিনকে বলেন, ‘বর্তমান অবস্থা থেকে একটি বিষয় খুবই পরিষ্কার যে রাষ্ট্রের বিচার ও আইন বিভাগসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে কাজ করছে না। এ পরিস্থিতির সৃষ্টি একদিনে হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে এর একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। গুজব এখন অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে গেছে। আর এর কারণ তথ্য প্রবাহের স্বাভাবিক গতিকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। ফলে মানুষ অসমর্থিত মাধ্যমের ওপরেই বেশি ভরসা করছে। কিছু কুচক্রী মহল এটাকে কাজে লাগিয়ে ছোট ঘটনাকে রংচং মাখিয়ে বড় করে তুলছে। আবার সমাজের মধ্যে রংচং মাখানোর পরিবেশও তৈরি করা হয়েছে। যেমন বলা যায় নয়ন বন্ডের জন্ম। এখন সারাদেশে এমন অসংখ্য বন্ড বাহিনী তৈরি হয়েছে। যাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুবৃত্তায়ন। যার প্রমাণ আমরা দেখেছি নোয়াখালী থেকে বরগুনা পর্যন্ত। সারাদেশে এ ধরনের দুবৃত্তায়নের যে শক্ত ঘাঁটি তৈরি হয়েছে তা এখনই ভেঙে দিতে হবে। না হলে মানুষের মাঝে এমন হতাশা ও হিংস্রতা আরও বাড়তে থাকবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার যারা সরাসরি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের মাধ্যমে জন সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। বিচার পাওয়ার মানুষের যে অধিকার তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ অবিচারের শিকার মানুষরাই বেশি অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম এ বিষয়ে যায়যায়দিনকে বলেন, ‘আমরা ধীর্ঘদিন ধরে লক্ষ করছি আমাদের সমাজের কাঠামো ক্রমে ভেঙে পড়ছে। আগে দেখতাম স্থানীয় বয়স্ক ব্যক্তিরা যেভাবে বলতেন তরুণরা সেভাবেই চলত। কিন্তু এখন ঘুষখোর, মাদকসেবী, রাজনৈতিকভাবে দুর্বৃত্তায়নের আশ্রয় নেয়া ব্যক্তিদের কথামতো সমাজকে চলতে হচ্ছে। ছোট একটি বাচ্চা দেখছে ভালো কাজের মূল্যায়ন নেই। কিন্তু খারাপ কথা বলা, মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা, মাদক সেবন করা, ইভ-টিজিং করা বা দলবেঁধে বাজে সংঘে মেলামেশা করা ব্যক্তিরা সমাজে বাহবা পাচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে স্থানীয় মুরব্বিরা এখন নিজেদের গুটিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে। অপরাধীরা প্রশাসনিক আনুকূল্য পাচ্ছে। যা তরুণদের অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠতে উৎসাহিত করছে। এ অপরাধপ্রবণ যুবকরা সামান্য গুজবের ওপর ভর করেই মানুষ পিটিয়ে হত্যার মতো ভয়ংকর কাজে লিপ্ত হতে দ্বিধাবোধ করছে না। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ন্যয়বিচার প্রতিষ্ঠা, সুশিক্ষা দান এবং স্থানীয় যুবকদের মুরব্বিদের আদেশ- নিষেধ মানতে সহায়তা করতে হবে। তাহলেই আবারও আমাদের সমাজ পূর্বের জায়গায় ফিরে আসবে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আল-আমিন এ বিষয়ে বলেন, ‘সমাজে সভ্যতার বিকাশে দুটি দিক রয়েছে। একটি বস্তুগত উন্নয়ন আরেকটি অবস্তুগত উন্নয়ন। আমরা বস্তুগত উন্নয়নে এতটাই মনোযোগী হয়ে পড়েছি যে অবস্তুগত বিষয়টিকে ভুলেই গেছি। একে সমাজ বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় সভ্যতার ব্যবধান। অনেক পশ্চিমা সমাজেও দেখা গেছে দ্রম্নতগতিতে বস্তুগত সংস্কৃতি যখন এগিয়ে গিয়েছে তখন অবস্তুগত সংস্কৃতি অতটা দ্রম্নততার সঙ্গে এগোতে পারেনি। অবকাঠামোর মাধ্যমে বস্তুগত সংস্কৃতিকে এগিয়ে নেয়া যায়। কিন্তু অবস্তুগত সংস্কৃতির সঙ্গে মনমানসিকতা, শিক্ষা, ধর্মীয় বিশ্বাস জড়িত। যাকে সহজে পরিবর্তন করা যায় না। ফলে বস্তুগত ও অবস্তুগত সংস্কৃতি যখন বড় ব্যবধানে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে তখন সভ্যতার গ্যাপ বা ব্যবধান অনিবার্য হয়ে ওঠে। তখনই সমাজের মাঝে অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি পায়। গুজবের ওপর ভর করে ভয়ংকর হয়ে ওঠে মানুষ। এ থেকে উত্তরণের জন্য সুশাসন, শিক্ষা ও মনমানসিকতা পরিবর্তনের বিষয়েও রাষ্ট্রকে বিনিয়োগের মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’

আস/এসআইসু

Facebook Comments