আইনের জটিলতা নিরসনে এনবিআরে সংস্কার প্রয়োজন

আলোকিত সকাল ডেস্ক

কিছু আইনের কারণে কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়। এসব আইনি জটিলতা নিরসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যক্রমে সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

শনিবার (১ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে জেসিআই বাংলাদেশ ও দৈনিক সমকালের যৌথ আয়োজনে ‘তারুণ্যের ভাবনা – প্রাক বাজেট’ আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কে চিন্তাভাবনা ও ধারণা তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের খ্যাতিমান বক্তাদের একটি প্যানেল সভায় অংশ নেয়। দৈনিক সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফির সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ মহিলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিডব্লিউসিসিআই) সভাপতি সেলিমা আহমেদ, সংসদ সদস্য মোজাফফর হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফারহাদ প্রমুখ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এনবিআরের সংস্কার করা জরুরি। নিয়ম ও আইনের বেড়াজালে অনেক কিছুই সময়মতো করা যায় না। বিভিন্ন বন্দর থেকে আসা রাজস্ব এনবিআরে না গিয়ে অন্য উপায়ে সরাসরি সরকারি কোষাগারে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। এনবিআরের কিছু আইন আছে তারা মানবেই। কিছু আইনের কারণে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তৈরি হয়। তাই আমাদের অনেক কিছুই সংস্কারের প্রয়োজন আছে। পুরনো আমলের আইনও সংস্কার করা দরকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের মধ্যে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আছে। হয়তো আইনে আছে- কোনো ফাইল সই করতে ডিসিদের ২০ দিন সময় নিতে হবে। হয়তো এই ফাইল একদিনেই সই করা যায়। যে কাজ একদিনে হওয়ার কথা সেই কাজ ২০ দিনে করা হচ্ছে। অনেক সময় ২০ দিনেও হয় না, আরও ১০ দিন সময় নেয়া হয়। এই সমস্ত কাজে আমলাতন্ত্রিক জটিলতা দূর করতে হবে।

তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে থাইল্যান্ড গিয়েছিলাম। সেখানে টেলিনরের মিয়ানমার প্রধানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ হচ্ছিলো। মিয়ানমার নাকি কিছুদিনের মধ্যেই ফাইভ-জি নেটওয়ার্কে যাবে। সুতরাং উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোনো দেশই চুপচাপ বসে নেই। আমরা হয়তো ভাবতাম মিয়ানমার কিছু করছে না, এই ধারণা ভুল। আমাদের আশপাশের দেশ মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াও অনেক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, কোনো দেশই চুপচাপ বসে নেই। আমাদেরও কাজ করতে হবে। দেশের তারুণ্যের ভাগ্য বদলে সরকার কাজ করছে। তরুণদের নিয়ে অনেক কিছু করার আছে। তরুণরা অনেক গতিতে কাজ করতে পারে। তরুণরা দেশের জন্য অনেক কাজ করতে পারবে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box