অজানা স্মৃতিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু

হাটহাজারীর থেকে মো.সুমন

হাটহাজারী পৌরসভা মহাকবি আলাওল দিঘির পশ্চিম পার্শে ১নং ওয়ার্ড আলাওল পাড়া ও জোবরা সংলগ্ন হিউম্যান রাইটস অফিসে বঙ্গবন্ধুর অজানা স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
(২২মে)বুধবার সকাল ১০ টায় হিউম্যান রাইটস অফিসে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।এই সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সৈনিক বঙ্গবন্ধুর আত্মগোপনে পাশে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা এই সভাই সভাপতিত্ব করেন হিউম্যান রাইটস এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধার কমরেড আবদুল আহাদের সন্তান জনাব মো.হেলাল উদ্দিন।

বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বন প্রহরী আবুল কাশেম পাটোয়ারী,তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন জাতির জন্য ছিল একটি বড় প্রেরণা।বঙ্গবন্ধু আমাদের দেশ গড়ার লক্ষ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।আর বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।এসময় আরো বলেন গত কয় একদিন আগে থেকে আমার সহযোদ্ধা কবিয়াল নুরুল হুদা একটি বই প্রকাশ হয়েছে অজানা স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু।তবে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে বেশ কিছু বছর আগে থেকে এই বইটি প্রকাশ করতে গিয়ে অনেকবার তাকে বিপদের সম্মখীন হতে হয়েছে।কিন্তু কেউ তাকে রুখতে পারেনি দির্ঘ অনেক বছর পর আমার সহযোদ্ধার বই প্রকাশ হয়েছে অনেক গর্ব হচ্ছে আজ বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে বই প্রকাশ করতে পেরেছে বলে ধন্যবাদ জানায় আমার সহযোদ্ধা নুরুল হুদা কে ধন্যবাদ জানায় প্রকাশক কে যে বইটি প্রকাশ করেছে সাধারন জনগনের মধ্যে।এবং তিনি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে সকল মুক্তিযোদ্ধার ও শহীদের প্রতি গভির শ্রদ্ধা জানান।

বঙ্গবন্ধু স্মৃতিচারণে প্রধান অতিথি ও প্রধান মেহমান হিসাবে উপস্থিত থেকে সহকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধুর সাথে কাটনো সময়ে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন কবিয়াল নুরুল হুদা।তিনি বক্তব্যে বলেন যার জন্য আজকের বাংলাদেশ সেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মনে পড়ে আমার(১৯৬৬সালে)ছয় দফা দাবী আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু আত্মগোপন রাখায় আমার সহযোদ্ধাদের সাথে থেকে পরম সৌভাগ্য আমার বঙ্গবন্ধুর সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।আমি দেখেছি নিজ হাতে খাবার দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকে সেবা করেছেন আমার মা।তিনি এসময় বলেন ইউনানী টেকনাফ রেষ্ট হাউস প্যানারোমা চাকমা প্যানারোমা রেওয়াজা টৈটং বিট অফিস প্রথম সাক্ষাত হয় বঙ্গবন্ধুর সাথে।এরপর আশরাফ আলী মহরির বাড়ি থেকে শুরু করে
আতাউর রহমান খান কায়সার এর বাড়ির পরে বন প্রহরী আবুল কাশেম পাটোয়ারী,বজরুজ মেহের কালা মিয়া এবং ওমর মিয়া মহরির আব্দুল্লাহ হেডম্যান,শামলাপুর মৌলভী সৈয়দ রওশন আলী চৌধুরী প্রাক্তন সাবেক প্রধান বন সংরক্ষকের সাহায্য ও সহযোগিতায় বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন রাখেন বঙ্গবুন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে।তিনি এসময় আরো বলেন কিন্তু আজকে মুক্তিযোদ্ধার সম্মান দেখছি কেউ পেয়েছে আর কেউ মুক্তিযোদ্ধ করা ব্যক্তির খবর ও নেই না ।আমার সহ যোদ্ধা কমরেড আবদুল আহাদের পরবিবার আজ কোথায়,এখনো এই বাংলার মাটিতে তার নিজেস্ব স্থান হয়নি বাড়া বাসায় তার জীবন এবং বর্তমান তার পরিবার ছেলে সন্তান ও বাড়া বাসায়।কেন তাদের একটু দৃষ্টি দিয়ে দেখছেন না কেউ।তিনি আরো বলেন আমার সহযোদ্ধা কমরেড আবদুল আহাদের পরিবার কে যেন শুদৃষ্টি দিয়ে দেখেন তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা যা আমার নিজের হাতে লেখা প্রকাশিত বই বিস্তারিত আছে ,বইয়ের নাম অজনা স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু।এবং বইটি পাওয়া যাবে বঙ্গবন্ধুর পালিত পুত্র মোজাম্মেল হক,বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম,অধ্যাপক এম আর মাহাবুব ভাষা আন্দলন মিউজিয়াম,আহমদ মমতাজ সহকারী পরিচালক বাংলা একাডিমি,

এসময় বঙ্গবন্ধু অজনা স্মৃতিচারণ সভায় হিউম্যান রাইটসের সাধারন সম্পাদক ও ইউনিয়ন কৃষক লীগ, লিয়াকত আলী সিকদার,সহ সাধারন সম্পাদক হিউম্যান রাইটস,মো.আরিফুল ইসলাম।আলোচনা সভা অনুষ্ঠানটি পরিচালোনা করেন,হিউম্যান রাইটস এর সদস্য মো.সুমন।এবং এতে আরো উপস্থিত ছিলেন হিউম্যান রাইটস,মো.কাশেম,মো.পারভেজ,মো.নাছের,সহ সকল সদস্য ও অত্র এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গঘন।

আস/এসআইসু

Facebook Comments